বাংলাদেশি নেট বোলারের ইয়োর্কারে পরাস্ত তারই শীর্ষ্য। তবুও তাতে ড্যারেন স্যামির ভীষণ আনন্দ। হাতে তালি, মুখে হাসি নিয়ে তিনি রীতিমত সেলিব্রেট করলেন তার শীর্ষ্যের আত্মসমর্পণ। স্যামির হৃদয় যেন শুভ্র সাদা ওই মেঘের মত।
বেশ কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দল হয়েছিল পরাস্ত। এরপর টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয় দিয়ে শুরু। সিরিজটা অন্তত নিজেদের করে নিতে চায় ক্যারিবিয়ানরা। সে ইচ্ছে পূরণের পরিকল্পনার ছক সাজাতে হবে ড্যারেন স্যামিকে।
তবে সেসব নিয়ে তিনি মোটেও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত নন। বরং নিজের স্বভাবজাত উৎফুল্ল চরিত্র হিসেবেই তিনি ধরা দিয়েছেন তিনি সাগরিকার বুকে। প্রথম ম্যাচ জয়ের পর শীর্ষ্যদের খুব একটা চাপ দেননি। ঐচ্ছিক অনুশীলনে তিনি হাজির সবার আগেই। এসেই প্রথমে দেখেছেন সাগরিকার উইকেট।

পরখ করলেন, বোঝার চেষ্টা করলেন। মিরপুরের মত দুর্বোধ্য হয়ত ঠেকল না তার। তাইতো তিনি আড্ডায় মজে গেলেন মাঠকর্মীদের সাথেই। এক গাল হাসিমাখা মুখে তিনি যেন আড্ডা দিচ্ছিলেন তারই বন্ধুদের সাথে। এই সরলতার মাঝে অবশ্য নিজের কাজের দিকেও তার রয়েছে নজর।
হাতে গোনা কয়েকজন ক্রিকেটার এসেছিলেন। যারা মূলত খেলেননি প্রথম টি-টোয়েন্টি। তাদেরকে নিয়েও বেজায় সিরিয়াস ড্যারেন স্যামি। চট্টলার তপ্ত রোদে দাঁড়িয়ে থেকেছেন। ওই চার-পাঁচজন ক্রিকেটারের অনুশীলনও তদারকি করেছেন তীক্ষ্ম নজরে। পরাস্ত হওয়ার পর তিরস্কার না করে বরং তিনি মিশে যেতে চেয়েছেন বাংলাদেশের নেট বোলারদের আনন্দের স্রোতে।
তার এমন সরলতা দেখে কে বলবে, তিনি জিতেছেন দু’দুটো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ? কে বলবে তিনি এক সময় ছিলেন ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের অন্যতম যাযাবর। দূর আকাশের নক্ষত্র হয়েও স্যামি মাটিতেই রাখেন পা। মিশে যান সবার সাথে, গড়ে ফেলেন হৃদ্যতা।












