আরও এক কলুষিত অধ্যায়। বলের রঙ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার পর, এবার রীতিমত বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তান সুপার লিগে। অভিযোগের তীরে বিদ্ধ হচ্ছেন লাহোর কালান্দার্সের ওপেনার ফখর জামান। তার একটি ইচ্ছাকৃত অপরাধের মাশুল দিতে হয়েছে জমজমাট একটা ম্যাচ হেরে।
ইনিংসের শেষ ওভার শুরুর ঠিক আগের ঘটনা। মুস্তাফিজুর রহমানের কল্যাণে শেষ ওভারে ১৪ রান ডিফেন্ড করার সুযোগ পেয়েছিলেন হারিস রউফ। কিন্তু সেই সুযোগ ফখরের দোষে হয়েছে ধূলিসাৎ। শেষ ওভার শুরুর আগে অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি আলাপ করছিলেন, হারিসকে সাহস যোগাচ্ছিলেন।

ঠিক সেই সময়েই সতীর্থদের জটলার মধ্যে ফখরকে দেখা যায়, বলের উপর অপ্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ করতে। তারপর সেই বল হারিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু ফখরের নখ দিয়ে খোচানোর বিষয়টি নজর এড়ায়নি পাকিস্তানের আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদির। তিনি হারিসের কাছ থেকে বল চেয়ে নেন।
তারপর আম্পায়াররা বল হাতে নিয়ে পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত হন, বলের স্বাভাবিক আকৃতি নষ্ট করা হয়েছে। অগত্যা, পাঁচ রানের পেনাল্টির খড়গ নেমে আসে লাহোর কালান্দার্সের উপর। করাচির স্কোরবোর্ডে যুক্ত হয় অতিরিক্ত পাঁচটি রান, পাশাপাশি বল পছন্দের সুযোগ দেওয়া হয় তাদের। তাতে করে শেষ ছয় বলে করাচি কিংসের প্রয়োজন দাঁড়ায় নয় রান।

সেই রানটুকু আর ডিফেন্ড করতে পারেননি হারিস রউফ। তবে বল টেম্পারিংয়ের কালিমা ঠিকই লেগে গেছে লাহোরের উপর। এমন নেক্কারজনক ঘটনা ইতোমধ্যেই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে সর্বত্র। ভিডিও ফুটেজে বল টেম্পারিংয়ের বিষয়টি স্পষ্ট। এখন শুধু দেখবার পালা, ফখর জামানের শাস্তির বিস্তৃতি হয় কতদূর।










