এক, দুই করে গুণে গুণে ১১ বল করলেন আর্শদ্বীপ সিং। তবেই হলো এক ওভার। ওয়াইড আর নো বলের পসরা সাজিয়েই যেন বসেছিলেন তিনি। অবশ্য সংখ্যাটা ১২-তে থামতে পারত যদি না রিভিউ নিতেন।
গুজরাট টাইটান্সের ব্যাটারদের রীতিমতো খোলসবন্দী করে রেখেছিল পাঞ্জাব কিংসের বোলাররা। তবে এর মাঝে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল আর্শদ্বীপ। দিনটা যেন কোনোভাবেই তার পক্ষে আনা গেল না।

এর চূড়ান্ত রূপ দেখা গেল ২০তম ওভারে এসে। গুজরাটের স্কোরবোর্ডে তখন কাটায় কাটায় ১৫০ রান। শুরুটা করলেন ওয়াইড দিয়েই, তবে কেউ কল্পনাও করেনি এর শেষটা। পরের তিন বল অবশ্য ত্রুটিমুক্ত রাখলেন। বিপত্তি বাধল চতুর্থ বলে। রাহুল তিওয়াতিয়ার উইকেট বাগিয়ে নিয়েছিলেন ঠিকই, তবে আম্পায়ার ঘোষণা করলেন বলটা নো হয়েছে।
এরপর আবার টানা দুই ওয়াইড। চোখেমুখে বিরক্তি আর হতাশা ফুটে উঠেছে তখন। শেষ করতে পারলেই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচেন আর্শদ্বীপ। পরের দুটো বল আবার ঠিকঠাক, তবে আবারও ওয়াইডে আসক্ত হয়ে পড়লেন। নাটকীয়তার শেষটা হলো ১১তম বলে এসে। রশিদ খানকে করা বলটাকে আম্পায়ার দুহাত প্রসারিত করে জানিয়ে দিলেন এটা ওয়াইড।

অগত্যা ১২তম বল করায় লাগবে। তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানায় পাঞ্জাব। রিভিউতে দেখা যায়, বলটা ব্যাটারের পা ছুঁয়ে গেছে। এতেই স্বস্তির নিশ্বাস নেন আর্শদ্বীপ। নইলে ১২ বলে এক ওভার করায় লাগত তাঁর।
Share via:











