নিজেকে খুঁজে পাবেন তো শামীম?

মোহাম্মদ আশরাফুলের সাথে শামীম পাটোয়ারির বিশেষ ক্লাস। দীর্ঘক্ষণ ধরে দুজনে একান্তে নেটে সময় কাটালেন। থ্রোয়ারের ভূমিকায় ছিলেন আশরাফুল নিজেই। ব্যাট হাতে শামীম দৃষ্টিনন্দন সব শটের পসরা সাজিয়েছেন। গুরু-শিষ্যের এই নিবিড় সেশনটা একটা বার্তা দিচ্ছে, সামনে নিউজিল্যান্ড সিরিজ। যেখানে ছন্দে ফিরতে মরিয়া শামীম।

মোহাম্মদ আশরাফুলের সাথে শামীম পাটোয়ারির বিশেষ ক্লাস। দীর্ঘক্ষণ ধরে দুজনে একান্তে নেটে সময় কাটালেন। থ্রোয়ারের ভূমিকায় ছিলেন আশরাফুল নিজেই। ব্যাট হাতে শামীম দৃষ্টিনন্দন সব শটের পসরা সাজিয়েছেন। গুরু-শিষ্যের এই নিবিড় সেশনটা একটা বার্তা দিচ্ছে, সামনে নিউজিল্যান্ড সিরিজ। যেখানে ছন্দে ফিরতে মরিয়া শামীম।

১৭ তারিখ থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড মহারণ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আসবে কিউইরা। যে কারণে পুরো বাংলাদেশ দলই ভীষণ ব্যস্ত অনুশীলনে। ব্যতিক্রম নন শামীমও।

তবে তাঁর আয়োজনটা মূলত টি-টোয়েন্টি কেন্দ্রিক। যদিও নিজের পছন্দসই এই ফরম্যাটেও খুব একটা ভালো সময় যাচ্ছে না শামীমের। এ বছরে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়নি বাংলাদেশের, শেষবার মাঠে নেমেছিল আয়ারল্যান্ড সিরিজে। সেখানে শামীমের অবশ্য ব্যাট হাতে নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। তবে এর আগে সর্বশেষ তিন ইনিংসে শামীম করেছিলেন মোটে দুই রান।

যদিও সেটার বয়স পাঁচ মাস পেরিয়েছে। মাঝে বিপিএল খেলেছেন, ১০ ইনিংসে করেছেন ১৬০ রান। আহামরি মনে না হলেও, বেশ কিছু কার্যকরী ইনিংস এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গন ভিন্ন বিষয়, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে তাই নিজেকে ছন্দে ফিরিয়ে আনতে সবরকম চেষ্টাই করছেন শামীম।

তবে অন্য ফরম্যাট অর্থাৎ, ওয়ানডেতে কি শামীমের ফেরাটা সহজ হবে? এই ফরম্যাটে সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন আফগানিস্তানের বিপক্ষে গত বছরে। দল থেকে বাদ পড়ার আগে সর্বশেষ তিন ইনিংসে রান করেছিলেন মাত্র ৩৪। ধারাবাহিক ব্যর্থতায় নাম কাটা গেছে দল থেকে।

ফেরার পথ এখন সহজ নয়, যদিও মিডল অর্ডার কিংবা প্রকৃত ফিনিশারের অভাব রয়েছে বাংলাদেশ দলে, তবুও কিছু না করেই সুযোগ মিলবে না সহজে। ঘরোয়াতে নিজেকে প্রমাণ করেই ফের নিতে হবে ওয়ানডে দলের টিকিট। সে কারণে কাঠখড় পোড়াতে হবে শামীমকে। আশরাফুলের সাথে অবশ্য সেটাই করছেন, ফর্মে কিংবা দলে ফিরতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link