কার দখলে কোন দুর্গ?

ভারতের আইপিএল থেকে শুরু করে পাকিস্তানের পিএসএল, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ কিংবা বাংলাদেশের বিপিএল - প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগই এখন এক একটি স্বাধীন ক্রিকেটীয় সাম্রাজ্য।

ভারতের আইপিএল থেকে শুরু করে পাকিস্তানের পিএসএল, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ কিংবা বাংলাদেশের বিপিএল – প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগই এখন এক একটি স্বাধীন ক্রিকেটীয় সাম্রাজ্য। আর এই সাম্রাজ্যগুলোর শাসনভার যাদের হাতে, সেই রান মেশিনদের নিয়েই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) বিরাট কোহলির আধিপত্য এখন অনন্য পর্যায়ে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে শুরু থেকে আজ অবধি বিশ্বস্ততার সাথে খেলে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৯,০১২ রান। একটি নির্দিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে এত রান করার রেকর্ড আর কারো নেই।

সীমান্তের ওপারে পিএসএলে রানের সম্রাট বাবর আজম। ইসলামাবাদ ইউনাইটেড, করাচি কিংস এবং বর্তমানে পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলে তিনি অর্জন করেছেন ৪,৩৩৭ রান। রানের বিচারে তিনি কোহলির চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে থাকলেও লিগটির ইতিহাসে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

এশিয়ার আরেক জনপ্রিয় ফ্র‍্যাঞ্চাইজি লিগ বিপিএলে রানের তালিকায় শীর্ষে আছেন বর্তমান বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল।চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা থেকে শুরু করে সর্বশেষ ফরচুন বরিশালের হয়ে মাঠ মাতানো এই বাঁহাতি ওপেনার লিগটিতে করেছেন ৩,৮৩৫ রান।

অন্যদিকে ক্যাঙ্গারুর দেশ অস্ট্রেলিয়ায় বিগ ব্যাশ লিগ (বিবিএল) মানেই চার-ছক্কার ফুলঝুরি। সেখানে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন ক্রিস লিন। ব্রিসবেন হিট এবং অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের জার্সিতে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৪,১৩৩ রান। যা বিগ ব্যাশ লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

মারকুটে ব্যাটিংয়ের দেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের সিপিএলে রান সংগ্রাহকদের তালিকায় শীর্ষে আছেন জনসন চার্লস। বার্বাডোজ রয়্যালস, জ্যামাইকা তালাওয়াসসহ বিভিন্ন দলের হয়ে তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে করেছেন ৩,৫১৯ রান।

তুলনামূলক নতুন হলেও শ্রীলঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) ১,৫৪৪ রান নিয়ে সবার উপরে আছেন আভিষ্কা ফার্নান্দো। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন সংবেদন এসএ-টোয়েন্টিতে এমআই কেপ টাউনের হয়ে খেলা রায়ান রিকেলটন ১,৩৪৯ রান নিয়ে নিজের আধিপত্য বিস্তার করেছেন।

মার্কিন মুলুকে শুরু হওয়া মেজর লিগ ক্রিকেটে টম ব্যান্টন ৯৮৯ রান সংগ্রহ করে শীর্ষস্থান দখল করে আছেন। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি-টোয়েন্টিতে অভিজ্ঞ ফাফ ডু প্লেসিস ৮৮৮ নিয়ে দেখিয়েছেন তার ব্যাটিং নৈপুণ্য।

দিনশেষে এই পরিসংখ্যানগুলো কেবল কিছু সংখ্যা নয়, বরং একেকটি লিগের বেড়ে ওঠার গল্প। বিরাট কোহলির নয় হাজারি উচ্চতা যেমন আইপিএল এর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার প্রতীক, তেমনি বাবর বা তামিমদের রানগুলো প্রমাণ করে নিজস্ব আঙিনায় তাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রভাব।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link