জাতীয় দলের দরজায় পৌঁছে গেছেন বৈভব সুরিয়াভানশি। প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন ভারত এ দলে। এবার এই ধাপটা পার হতে পারলেই মিলবে সোনার হরিণ। জাতীয় দল যে অপেক্ষায় বসে আছে বাইশ গজের এই নয়া দানবের জন্য।
মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বিশ্ব ক্রিকেটের হট কেক-এ পরিণত হয়েছেন বৈভব। ক্রিকেটের সকল আলোচনায় তাঁর নামটাই আসে সবার আগে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে(আইপিএল) দ্রুততম ভারতীয় সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে নিজের জাত চিনিয়ে এবার তিনি আরও এগিয়ে গেলেন ভারতের জাতীয় দলে খেলার পথে।
স্বপ্ন আর পরিশ্রমের মিশেলে বৈভবের ব্যাটিং যেন এক জীবন্ত মহাকাব্য। রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে ২০২৬ আইপিএলে তাঁর ব্যাটে ছুটছে রানের ফুলঝুরি। তাতেই চারিদিকে আলোচনা শুরু হয় এবার সিনিয়র দলে সুযোগ দেওয়া নিয়ে।

স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তানের সাথে ডাম্বুলায় ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত এ দল। বিসিসিআই এই সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে তিলক ভার্মাকে অধিনায়ক করে। সে দলে নাম এসেছে বৈভবেরও।
বৈভবের এই উত্থানকে অভিজ্ঞ রবিচন্দ্রন অশ্বিন দেখছেন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। তিনি বলেন, ‘আইপিএলের পর বৈভবের জন্য আদর্শ প্রস্তুতি হবে কোনো ইমার্জিং ট্যুর, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট বা ভারত ‘এ’ সফর। এই জায়গাগুলোর অভিজ্ঞতা তাঁকে বর্তমানের চেয়ে অনেক পরিণত করবে।’
নির্বাচকদের ভাবনায় কেবল শ্রীলঙ্কা সফর নয়, বরং আয়ারল্যান্ড বা জিম্বাবুয়ে সফরেও বৈভবকে পাঠানোর গুঞ্জন রয়েছে। এমনকি সেপ্টেম্বরে জাপানে হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসেও তাঁকে দেখা যেতে পারে নীল জার্সিতে। সম্ভাবনার দুয়ার যেন এখন তাঁর সামনে অবারিত।

তবে জাতীয় দলে জায়গা পাওয়াটা সহজ নয়। অশ্বিন মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রতিযোগিতার কথা। তিনি বলেন, “লাইনে যারা দাঁড়িয়ে আছে তাঁদের দিকে তাকিয়ে দেখতে হবে। যশস্বী জয়সওয়াল থেকে শুরু করে প্রিয়ানশ আরিয়া, সবাই কিন্তু দুর্দান্ত পারফর্ম করে দরজায় কড়া নাড়ছে।”
২০২৫ সালের এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে দুর্দান্ত পারফর্ম করা বৈভব এখন ব্যাটার হিসেবে আরও পরিণত হওয়ার অপেক্ষায়। ডাম্বুলার সাদা বলের লড়াই তাঁকে একজন পরিপূর্ণ ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তুলবে, যার প্রতিচ্ছায়া দেখতে পাওয়া যাবে ভারতের মূল দলে, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন ভক্ত ও ক্রিকেট বোদ্ধারা।










