জিতেও মন ভরলো না হায়দ্রাবাদের!

প্রথমবারের মতো ইনিংস শুরু করতে নামা ভেঙ্কেটেশ আইয়ারের ১৯ বলে ৪৪ রানের ঝড়ের পর অবশ্য ব্যাটিংয়ে পতন দেখতে থাকে ব্যাঙ্গালুরু।

দুই দল আগে থেকেই প্লে-অফ নিশ্চিত করে ফেলেছে। তবে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ নেমেছিল বিশাল ব্যবধানে জিতে পয়েন্ট টেবিলে সেরা দুইয়ে জায়গা করে নিতে। কিন্তু, টেবিল-টপার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর সাথে ৫৫ রানের জয়ও যেন কম হয়ে গেল প্যাট কামিন্সদের জন্য।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিজেদের সিদ্ধান্তের যথার্থতা মাঠে দেখাতে থাকে হায়দ্রাবাদ। ট্রাভিস হেড ২৬ রান করে সাজঘরে ফিরলেও অভিষেক শর্মা আর ইশান কিষাণ মিলে আক্রমন জারি রাখেন।

অভিষেক ৫৬ রান করে প্যাভিলিয়নের পথে ধরলে হেনরিখ ক্লাসেনের সাথে তান্ডব চালাতে থাকেন ইশান। দুজনের ব্যাট থেকেই আসে ব্যক্তিগত অর্ধশতক। আরসিবির শক্তিশালী বোলিং লাইনআপের বিরুদ্ধে হায়দ্রাবাদের সংগ্রহ শেষ পর্যন্ত দাঁড়ায় ২৫৫ রানের।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত শুরু পেয়েছিল আরসিবিও। প্রথমবারের মতো ইনিংস শুরু করতে নামা ভেঙ্কেটেশ আইয়ারের ১৯ বলে ৪৪ রানের ঝড়ের পর অবশ্য ব্যাটিংয়ে পতন দেখতে থাকে ব্যাঙ্গালুরু।

দুরন্ত ফর্মে থাকা বিরাট কোহলি কিংবা দেবদূত পাদ্দিকালের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। অধিনায়ক রজত পাতিদার শেষ চেষ্টা করলেও ব্যাঙ্গালুরুর স্কোরকার্ডকে হায়দ্রাবাদের তুলনায় বিমর্ষই মনে হয়েছে। আরসিবি ইনিংস শেষ করে কাঁটায় কাঁটায় ২০০ রান করে।

৫৫ রানের জয় পেলেও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের পয়েন্ট টেবিলে সেরা দুইয়ে জায়গা না করেই লিগ পর্ব শেষ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, বড় পরাজয়ের পরেও সবার উপরে থেকে লিগ পর্বের ম্যাচ শেষ করলো আরসিবি।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link