আবারও জ্বলল ইশানের তরবারি!

পয়েন্ট টেবিলে সেরা দুইয়ে থেকে আসর শেষ করার সুবর্ণ সুযোগ হায়দ্রাবাদের সামনে। আর সেই সুযোগটা লুফে নেওয়ার অর্ধেক কাজ করেছেন ইশান।

পুরো আসরই কেটেছে তাঁর আগুনে ফর্মে। প্রতিপক্ষের বোলারদের তুলোধুনা করে ছেড়েছেন পুরোটা সময়। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে নিজের জ্বলন্ত রূপ আরেকবার দেখালেন ইশান কিষাণ। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের স্কোরবোর্ডে এনে দিলেন ২৫৫ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ।

হায়দ্রাবাদ এবং আরসিবি, দুই দলের জন্যেই এই ম্যাচ ছিল লিগ পর্বের শেষ খেলা। পয়েন্ট টেবিলে সেরা দুইয়ে থেকে আসর শেষ করার সুবর্ণ সুযোগ হায়দ্রাবাদের সামনে। আর সেই সুযোগটা লুফে নেওয়ার অর্ধেক কাজ করেছেন ইশান।

ট্রাভিস হেড আউট হলে ইশান যখন ক্রিজে আসেন ততক্ষণে দল বোর্ডে জমা করেছে ৪৫ রান। অন্য ওপেনার অভিষেক শর্মার সাথে মিলে ভুবনেশ্বর কুমার, জস হ্যাজলউডদের উপর দিয়ে রোলার কোস্টার চালাতে থাকেন ইশান।

অভিষেক আউট হলে সঙ্গী করেন হেনরিখ ক্লাসেনকে। দুজনে মিলে দলের রান ২০০ পার করার। ক্লাসেন আউট হলেও আক্রমণ করা থামিয়ে দেননি ইশান। আউট হয়েছেন একেবারে ইনিংসের শেষ বলে গিয়ে।

আরসিবির শক্তিশালী বোলিং লাইনআপের বিরুদ্ধে ইশান মোকাবিলা করেন ৪৬ বল। সমান আটটি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে নামের পাশে ১৭১ স্ট্রাইকরেটে যোগ করেন ৭৯ রান।

এবারের আসরে নিজের ৬ষ্ঠ ফিফটির দিনে পার করে ফেলেছেন ৫০০ রানের গন্ডি। ৪০ এর বেশি গড়ে এবার ইশানের সংগ্রহ ৫৬৯ রান। হায়দ্রাবাদের প্রয়োজনে আরও একবার ব্যাটকে তরবারি বানিয়ে প্রতিপক্ষের বুকে ভয়ের জন্ম দিলেন ইশান কিষাণ।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link