শাহরিয়ার নাফিস, হাবিবুল বাশারদের এমন ভূয়সী প্রশংসায় সিক্ত হলেন নাহিদ রানা। অবশ্য বিশ্ব ক্রিকেটই তো তাঁকে কুর্নিশ জানাচ্ছে। নাহিদ যে গতি, আর আগ্রাসনের সুর দিয়ে মুগ্ধ করেছেন সবাইকে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অ্যাজন্ম আক্ষেপ কি? এই প্রশ্নখানার বিপরিতে অনেক কিছুই উত্তর আসবে। তার মধ্যে একটা, একজন গতিময় পেস বোলারের অভাব, যার সামনে হাঁটু গেড়ে আত্মসমর্পণ করবে দুনিয়ার তাবড় তাবড় সব ব্যাটাররা। অবশ্য এই কালিমা মুছে দিয়েছেন নাহিদ রানা।

১৫০ কিলোমিটার গতির বাউন্সার বের হচ্ছে নাহিদ নামক মেশিন থেকে, কখনও তা ব্যাটারের হেলমেট আছড়ে পড়ছে, হাঁটু-কাঁপছে তাদের। কখনও এই মেশিন প্রতিপক্ষের সাজানো আলোকজ্জল বাগানে সৃষ্টি করছে বিভীষিকা। হারতে বসা ম্যাচকে এক লহমায় নিজেদের ডেরায় এনে ফেলছেন। এসব যে বিস্ময়, বাংলাদেশ ক্রিকেটে এ এক অলীক স্বপ্ন। এই স্বপ্নই বাস্তবের মুখ দেখেছে নাহিদ রানার হাত ধরে।
২০২৬ সালটা নাহিদ যেন ক্রিকেট আকাশে ডানা নিজের ডানা মেলে উড়ছেন। সম্প্রতি ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার পেছনে বড় অবদান যে তাঁর। এবছর মাত্র আট ম্যাচ খেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৭ উইকেট নিয়ে আছেন সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায়। পেছনে ফেলেছেন দুনিয়ার সব বাঘা বাঘা বোলারদের। নাহিদের হাত ধরেই তাই দেশের ক্রিকেটে মিলছে সফলতার সুবাতাস।

তাই তো যেকোন বিশেষনই নাহিদের কাছে এসে সামান্য হয়ে যায়। তিনি যে বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন ভোরের সূর্য। পেস ইউনিটে বাংলাদেশের আশার প্রতীক আর প্রতিপক্ষের আতঙ্ক।
Share via:










