প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র!

লস অ্যাঞ্জেলসের আলো ঝলমলে রাত। ৭০ হাজার দর্শকের গর্জন আর পতাকা হাতে উচ্ছ্বাস, সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় লিখে ফেলল যুক্তরাষ্ট্র। ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল তারা।

লস অ্যাঞ্জেলসের আলো ঝলমলে রাত। ৭০ হাজার দর্শকের গর্জন আর পতাকা হাতে উচ্ছ্বাস, সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় লিখে ফেলল যুক্তরাষ্ট্র। ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল তারা। সেই সাথে নিজেদের ইতিহাসে যোগ করল অবিস্মরণীয় রেকর্ড।

শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র একটা মিশনে নামে এদিন। প্রতিপক্ষকে কোনঠাসা করে দেওয়ার সে মিশনে একের পর এক শক্তিশালী আক্রমণ সাজায় তারা। যা ঠেকাতে রীতিমত অসহায় হতে হয়েছে প্যারাগুয়েকে। ওই চাপ সামলাতে না পেরে ম্যাচের সপ্তম মিনিটের মাথায় এবারের বিশ্বকাপের প্রথম আত্মঘাতী গোল করে বসে প্যারাগুয়ে।

এই গোলের মাধ্যমেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তৃতীয় দ্রুততম গোলের একটি পায় যুক্তরাষ্ট্র।

এরপর ম্যাচের ২৮ মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র। মাঝমাঠের দারুণ টাচ ও সমন্বয়ে বল জালে পাঠান বালোগুন। তবে গোলের শুরুতেই পুলিসিক অফসাইডে থাকায় লাইন্সম্যানের পতাকা উঠে যায় গোল বাতিল হয়।

গোল বাতিলের ধাক্কা সামলে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আবারও দুরন্ত হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র। ৩২ মিনিটের মাথায় ফোরালিন বালোগান আঘাত হানেন লক্ষ্যবস্তুতে। ২-০ গোলে এগিয়ে দেন স্বাগতিকদের। তবে প্রথমার্ধের শেষ সময়ে এসে বালোগান আরও একবার খুঁজে নেন প্রতিপক্ষের জাল। ম্যাচে যে প্যারাগুয়ের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।

ফিরে এসে নিজেদের খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা চালায় প্যারাগুয়ে। ৭৩ মিনিটে গুলিও এনসিসো একটা গোল শোধ দেন। গল্পটা তখনও শেষ হয়নি। যোগ করা সময়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে চার নম্বর গোলটি করেন জিওভানি রেইনা। তাতেই বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের ইতিহাসে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ চার গোলের রেকর্ড গড়ে যুক্তরাষ্ট্র। প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের আধিপত্যের গল্প লেখে তারা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link