শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে সেনেগালকে টপকে নক আউটে নরওয়ে!

ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘আই’-এর লড়াইয়ে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে নরওয়ে। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দুই দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন আর্লিং হাল্যান্ড এবং ইসমাইলা সার।

ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘আই’-এর লড়াইয়ে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে নরওয়ে। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দুই দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন আর্লিং হাল্যান্ড এবং ইসমাইলা সার।

​ম্যাচের ৪৩ মিনিটে কালিদু কুলিবালির রক্ষণভাগের ভুলে প্রথমবারের মতো বল জালে পাঠান নরওয়ের মার্কাস পেডারসেন। প্রথমার্ধের এডেড টাইমে আর্লিং হাল্যান্ডের শট গোলপোস্টে আঘাত করলে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ একটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ম্যাচ দারুণ উত্তেজনায় রূপ নেয়। ৪৮তম মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত থ্রু বল থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আর্লিং হাল্যান্ড। ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই সাদিও মানের পাস থেকে গোল করে সেনেগালকে ম্যাচে ফেরান ইসমাইলা সার।

তবে তাদের আনন্দ বেশিক্ষণ টেকেনি। ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে প্যাট্রিক বার্গের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হাল্যান্ড। ফলে ৩-১ ব্যবধানে আবারও শক্ত অবস্থা পৌঁছে যায় ভাইকিংসের দেশ।

এই গোলের পর থেকেই ছিটকে পড়া থেকে বাঁচতে মরিয়া হয়ে ওঠে সেনেগাল। একের পর এক অ্যাটাকে তটস্থ করে তোলে নরওয়ের রক্ষণভাগকে।

এডেড টাইমে আবারও ম্যাচে ফেরে সেনেগাল। নিকোলাস জ্যাকসনের অ্যাসিস্টে বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের দারুণ শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ইসমাইলা সার। এরপরও সেনেগাল গোল শোধ করতে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায়, তবে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের শ্বাসরুদ্ধকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link