পানামার বিদায়ে টিকে রইলো ক্রোয়েশিয়া!

টরেন্টো স্টেডিয়ামে স্নায়ুচাপের ম্যাচে পানামাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল ক্রোয়েশিয়া।

টরেন্টো স্টেডিয়ামে স্নায়ুচাপের ম্যাচে পানামাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল ক্রোয়েশিয়া। অধিনায়ক লুকা মদ্রিচের ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে রইল গুরুত্বপূর্ণ এই জয়ে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য ও কিছুটা নিরুত্তাপ। ২৩ মিনিটে পানামা এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু আমির মুরিলোর ক্রস থেকে জোসে লুইস রদ্রিগেজের হেডার ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক লিভাকোভিচ দুর্দান্ত দক্ষতায় ক্রসবারে ঠেলে দেন।

​দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ক্রোয়েশিয়া আক্রমণ বাড়ায়। অবশেষে ৫৪ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্ত। মার্কো পাসালিচের নিখুঁত পাস থেকে ক্রস বাড়ান স্তানিসিচ। তাঁর সেই ক্রসেই এন্তে বুদিমির শরীর দিয়ে বল জালে জড়িয়ে ক্রোয়েশিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

গোল খাওয়ার পর পানামা মরিয়া হয়ে উঠলেও ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগ ছিল অভেদ্য। উল্টো ৫৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করে ক্রোয়েশিয়া।

প্রথমে পাসালিচের শট গোলরক্ষক মোস্কেয়েরা কোনোমতে প্রতিহত করেন। পরবর্তীতে ফিরতি শটটি পাসালিচ গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে উড়িয়ে মারেন।

​শেষ পর্যন্ত গোল শোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় টুর্নামেন্ট থেকে পানামার বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল। অন্যদিকে, টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে এই জয় ক্রোয়েশিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুই ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে মদ্রিচের দল।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link