‘এল’ গ্রুপের এই ম্যাচে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছিল ইংল্যান্ড। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছিল থ্রি লায়ন্সরা। অন্যদিকে পানামার বিপক্ষে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে ম্যাচে নামে ঘানা। ফলে কাগজে-কলমে ইংল্যান্ডই ছিল পরিষ্কার ফেভারিট।
ম্যাচের শুরু থেকেই সেই পার্থক্যও চোখে পড়েছে। বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রেখেছে ইংলিশরা। প্রথমার্ধে প্রায় ৭৮ শতাংশ সময় বলের দখল ছিল তাদের পায়ে। মাঝমাঠে আধিপত্য বিস্তার করে ঘানাকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখার চেষ্টা করেছে তারা। কিন্তু শেষ তৃতীয়াংশে গিয়ে যেন বারবার থমকে গেছে ইংল্যান্ডের আক্রমণ।

হ্যারি কেন, বুকায়ো সাকা কিংবা ফিল ফোডেনদের নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ বেশ কয়েকবার ঘানার ডিফেন্সে চাপ সৃষ্টি করলেও গোলের দেখা মেলেনি। বক্সের ভেতরে জটলার মধ্যে কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি ইংলিশ ফরোয়ার্ডরা।
আবার ঘানাও সুযোগ পেলেই চেপে বসে ইংল্যান্ডের ঘাড়ে। ইংলিশ দুর্গে ঢুকে পড়েছে অবলীলায়। রক্ষণ সামলে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে ইংল্যান্ডকে চমকে দেওয়ার চেষ্টা করছে আফ্রিকার দেশটি। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা আর পাওয়া যায়নি।
হাই ইন্টেন্সিটির ফুটবল নিয়ে খুবই সরগরম ফুটবল পাড়া। তবে সেটা সবসময় ফলাফল নিয়ে আসে না। এই ম্যাচ তারই যেন এক দলিলপত্র।

Share via:










