রানার্সআপ হয়েই নকআউটে ক্রোয়েশিয়া!

 ক্রোয়েশিয়ার সামনে সবচেয়ে সহজ পথ ছিল ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে প্রবেশ করা। ড্র করলেও আশা ঝুলে থাকত, তবে পরনির্ভরশীলতা ভালো দেখায় না। তাইতো লুকা মদ্রিচরা বেছে নিলেন প্রথমটাই।

ক্রোয়েশিয়ার সামনে সবচেয়ে সহজ পথ ছিল ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে প্রবেশ করা। ড্র করলেও আশা ঝুলে থাকত, তবে পরনির্ভরশীলতা ভালো দেখায় না। তাইতো লুকা মদ্রিচরা বেছে নিলেন প্রথমটাই। ক্রোয়েশিয়া ঘানাকে হারায় ২-১ ব্যবধানে।

প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বেশিরভাগ সময় ছিল ক্রোয়েশিয়ার দখলে। শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে আক্রমণ সাজাতে থাকে তারা। এরই পুরস্কার আসে ৩১ মিনিটে। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত এক নিচু ও জোরালো শটে ঘানার গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পেতার সুচিস। দূরপাল্লার সেই শটে বল জালে জড়ানোর আগেই যেন বোঝা গিয়েছিল গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না। ওই অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল।

তবে বিরতির পর ঘানা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। ৭৩ মিনিটে ডেরিক লুকাশেন সাইডফুট ভলিতে বল জালে পাঠান। সহকারী রেফারি প্রথমে অফসাইডের পতাকা তুললেও দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলের স্বীকৃতি দেন রেফারি।

এই গোলের পর আবার বদলে যায় সমীকরণ। ঘানা উঠে যায় দ্বিতীয় স্থানে, আর ক্রোয়েশিয়া নেমে যায় তৃতীয়তে। নকআউটের স্বপ্ন তখন আবারো অনিশ্চয়তায়। কিন্তু ক্রোয়েশিয়া হাল ছাড়েনি। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে কর্নার কিক থেকে আসা বলে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করেন নিকোলা ভলাসিচ।  সেই গোলে আবারো এগিয়ে যায় ইউরোপের দলটি। শেষ পর্যন্ত আর কোনো নাটক না ঘটিয়ে ২-১ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।

তবে এই জয়েও গ্রুপসেরা হওয়া হয়নি ক্রোয়েশিয়ার। কারণ, অন্য ম্যাচে ইংল্যান্ড ২-০ গোলে হারিয়েছে পানামাকে। ফলে, গ্রুপের চূড়ান্ত চিত্র দাঁড়ায়, ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর ক্রোয়েশিয়া রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে।

 

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link