বিপদে অভিষেকই ত্রাতা!

অন্যপাশে যা হচ্ছে হোক, অভিষেক শর্মার তাতে কিছু যায় আসে না। তিনি নিজের মতোই খেলবেন, ঝড় তুলবেন, স্কোরবোর্ডে পাহাড়সম রান জমা করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।

অন্যপাশে যা হচ্ছে হোক, অভিষেক শর্মার তাতে কিছু যায় আসে না। তিনি নিজের মতোই খেলবেন, ঝড় তুলবেন, স্কোরবোর্ডে পাহাড়সম রান জমা করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও সেটাই করলেন। ভঙ্গুর দশা থেকে দলের জন্য বয়ে আনলেন মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস।

সাঞ্জু স্যামসনকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন ওপেনিংয়ে। আয়ারল্যান্ড সিরিজে নাস্তানাবুদ হওয়া ইন্ডিয়ার সামনে ইংল্যান্ড চ্যালেঞ্জটা বেশ কঠিন। সেটা কঠিনতর হয়ে গেল সতীর্থদের বিদায়ে, ইশান কিষাণও এলেন আর গেলেন। সবটা দাঁড়িয়ে দেখলেন অভিষেক।

এরপর আর কী করার, পিঠ ঠেকে গেছে দেয়ালে। তাই সেই দেয়াল ভাঙার স্লোগান তুললেন। একের পর এক বল পার হলো সীমানাদড়ি, আছড়ে পড়ল গ্যালারিতে। একটু আগেও যে ইংল্যান্ড ঠোঁটের কোণে বাকা হাসি দিচ্ছিল, তাদের কপালেই পড়ল চিন্তার ভাঁজ।

ভগ্নস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে ২০ বলেই তুলে নিলেন ফিফটি। এক লহমায় যেন সব হিসাব পাল্টে গেল, দৃশ্যপট বদলে গেল। ২৪টা বল উইকেটে থেকে শেষটাতে রান করলেন ৫৯। হাঁকিয়েছেন ছয়খানা চার আর চারখানা ছয়। ঝড় চালিয়েছেন ২৪৫ স্ট্রাইক রেটে।

যখন সাজঘরে ফিরলেন অভিষেক, দলের রান তখন ৮৮। শুরুর করুণ অবস্থা ছাপিয়ে রীতিমতো বুক ফুলিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। মোমেন্টামটা ইংল্যান্ডের কাছ থেকে কেড়ে এনেছেন। অভিষেক শর্মা বলেই সেটা এত সহজেই পেরেছেন। তিনি তো সাক্ষাৎ এক ঝড়, কখন কার কাছ থেকে কী উড়িয়ে নিয়ে যাবে বলা দুষ্কর।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link