তানজিদ-সৌম্যর জোড়া ফিফটিতে শান্তনার জয় বাংলাদেশের

ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্সে ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এই জয় শুধু ব্যবধান কমিয়েছে, কারণ তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে দাপুটে পারফরম্যান্সে ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে এই জয় শুধু ব্যবধান কমিয়েছে, কারণ তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

হারারে আগে ব্যাট করে ওয়েসলি মাধেভেরের ৭৫ ও ব্র্যাড ইভান্সের ঝোড়ো ৫০ রানে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল ইসলাম। ৪ উইকেট নেন এই বাঁহাতি পেসার। তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট, আর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার একটি।

২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। দুজন মিলে গড়েন ১১২ রানের উদ্বোধনী জুটি। সৌম্য ৮২ বলে ৬৯ রান করেন, আর তানজিদ খেলেন ১০১ বলে ৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। মাত্র ৬ রান দূরে থাকলেও শতকের দেখা পাননি এই বাঁহাতি ওপেনার।

তবে তানজিদের ইনিংসে ভাগ্যের ছোঁয়াও ছিল। জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা তার তিনটি ক্যাচ ছেড়ে দেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বড় ইনিংস খেললেও শেষ পর্যন্ত শতকের আগেই আউট হন তিনি। ম্যাচজুড়েই স্বাগতিকদের ফিল্ডিং ছিল হতাশাজনক। একের পর এক ক্যাচ মিস, ভুল ফিল্ডিং ও অতিরিক্ত রান দিয়ে তারা বাংলাদেশের কাজ সহজ করে দেয়।

এদিন জিম্বাবুয়ে তাদের প্রধান তিন বোলারকেও একাদশে রাখেনি। তুলনামূলক অনভিজ্ঞ বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে শুরু থেকেই স্বচ্ছন্দ ছিল বাংলাদেশের দুই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ৩৬ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ।

সিরিজ হাতছাড়া হলেও শেষ ম্যাচের এই জয় বাংলাদেশের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তির। বিশেষ করে তানজিদ ও সৌম্যর ব্যাটিং এবং শরিফুলের বোলিং আগামী সিরিজগুলোর জন্য ইতিবাচক বার্তা হয়ে থাকল।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link