ইংল্যান্ডের সাথে মেসির প্রথম দেখা!

লিওনেল মেসির দুই দশকের ক্যারিয়ার। অপূর্ণতা বলতে কিছুই নেই সেখানে, অজানা, অচেনা বলতে কিছু থাকার কথাও না। তবে এমন ভেবে থাকলে আপনি ভুল।

লিওনেল মেসির দুই দশকের ক্যারিয়ার। অপূর্ণতা বলতে কিছুই নেই সেখানে। অজানা, অচেনা বলতে কিছু থাকার কথাও না। তবে এমন ভেবে থাকলে আপনি ভুল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০ বছর পার করে ফেললেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ম্যাচও খেলেননি তিনি। ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় এসে সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। আটলান্টায় মুখোমুখি হবে দুই ফুটবল পরাশক্তি। তবে এটা শুধু ফাইনালে যাওয়ার লড়াই নয়, সবকিছু ছাপিয়ে এটি মেসির ক্যারিয়ারেরই এক অনন্য অধ্যায়। কেননা আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের ২০৬তম ম্যাচে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবেন এই কিংবদন্তি।

ফুটবল ইতিহাসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বরাবরই আবেগ আর উত্তেজনায় ঠাসা। দুই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসও এর পেছনে জড়িত। যা এই দুই দলের প্রতিটি লড়াইকে আলাদা গুরুত্ব বহন করায়। কিন্তু সেই গল্পের বাইরে ছিলেন মেসি। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে প্রতিবারই কোনো না কোনো কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা হয়নি তাঁর।

সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৫ সালে। জেনেভায় একটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। কিন্তু সেই ম্যাচের কয়েক মাস আগেই আন্তর্জাতিক অভিষেকে লাল কার্ড দেখেছিলেন মেসি। নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি খেলতে পারেননি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। সেদিন ৩-২ গোলে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর সময় গড়িয়েছে, প্রজন্ম বদলেছে, অসংখ্য আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন মেসি। কিন্তু ইংল্যান্ডের সঙ্গে আর দেখা হয়নি।

এবার সেই অসমাপ্ত অধ্যায়ের নতুন পৃষ্ঠা খুলছে। ৩৯ বছর বয়সী মেসির জন্য হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ। আর সেই প্রথম দেখাটাই আবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো বিশাল মঞ্চে। এর থেকে আবেগের আর কিছু হয় নাকি!

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link