যখনই বাংলাদেশের উইকেট দরকার হয়েছে, তখনই বল হাতে হাজির হয়েছেন নাহিদ রানা। আর প্রতিবারই ফিরেছেন সাফল্য নিয়ে!
শুরুর তিন ওভারেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছিল জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার। মাত্র তিন ওভারেই স্কোরবোর্ডে উঠে যায় ৩৬ রান। ব্রায়ান বেনেট আর তাদিওয়ানাশে মারুমানির ব্যাটে তখন বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল স্বাগতিকরা।
কিন্তু ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম ওভারেই অতিরিক্ত গতির সামনে মারুমানিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন তিনি। সেই শুরু, এরপর যখনই জিম্বাবুয়ে ছন্দে ফিরতে চেয়েছে, তখনই বল হাতে ফিরে এসে আঘাত করেছেন বাংলাদেশের এই গতিতারকা।

দুর্দান্ত খেলতে থাকা ব্রায়ান বেনেটকে ৪৪ রানে থামিয়ে দেন নাহিদ, যাতে হাফ সেঞ্চুরির আগেই শেষ হয় তার ইনিংস। এরপর ইনিংসের ১৮তম ওভারে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন এই পেসার। টানা দুই বলে ফেরান মিল্টন শুম্বা ও তাশিঙ্গা মুসেকিওয়াকে। সেই ডাবল স্ট্রাইকে বড় ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে।
শেষ ওভারে ব্র্যাড ইভান্স চারটি বাউন্ডারি মেরে কিছুটা রান বাড়ালেও নাহিদের দুর্দান্ত স্পেলকে ম্লান করতে পারেননি। ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদ, যা টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার নতুন সেরা বোলিং ফিগার।
নাহিদের আগুনঝরা বোলিংয়েই উড়ন্ত সূচনা করা জিম্বাবুয়ে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রানেই থেমে যায়। এখন ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জিতলেই সিরিজে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।











