পুরনো দিনের একটা ঝলক দেখালেন সাকিব আল হাসান। দলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাট হাতে ২২ রানের কার্যকরী এক ইনিংস খেললেন। তিন ওভার পর্যন্ত বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন। শেষ ওভারে খরুচে হলেও তিনখানা উইকেট নামের পাশে। ব্যাটে-বলে দিনটা তাই মন্দ গেল না সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের। এই পারফরম্যান্সই যে দলের জয়ে রেখেছে বড় ধরনের ভূমিকা।
জাফনা কিংসের জার্সিতে ব্যাট হাতে নামার সুযোগটা খুব একটা হয় না। লম্বা ব্যাটিং অর্ডার আর দলের ব্যাটারদের দুর্দান্ত ফর্মের কারণে ক্রিজে নামাটা প্রতিনিয়ত হয় না সাকিবের। তবে সেই সুযোগটা অবশেষে এল ক্যান্ডি রয়্যালসের বিপক্ষে।
হৃদয়ের সঙ্গে সাত বলে ১১ রানের ছোট্ট জুটিও গড়ে ওঠে। তবে ২১ রানে হৃদয় বিদায় বলেন। বাকিটা সময় উইকেটে থাকেন সাকিব। এক চার আর এক ছক্কার সাহায্যে ২২ রান আসে ব্যাট থেকে। অপরাজিত থেকেই দলকে এনে দেন ২২১ রানের বিশাল সংগ্রহ।

কাজটা তখনও বাকি। বল হাতে কারিশমা দেখাতে হবে। সেটাই দেখালেন বটে। ৪১ রান এসে গেছে ওপেনিং জুটি থেকে। জাফনার কপালে চিন্তার ভাঁজ। চতুর্থ ওভারেই বল দেওয়া হলো সাকিবের হাতে। প্রথম তিন বলে দুটি বাউন্ডারি হজম করলেন, এরপরই ভেঙে দিলেন উদারার স্টাম্প।
প্রথম ওভারে নয় রান দেওয়া সাকিব নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসেই আরও একবার শিকার ধরলেন। এবার কুশল পেরারার স্টাম্পে আঘাত হানল তাঁর বল। ম্যাচের লাগাম জাফনার হাতে তুলে দিলেন সাকিব।
তিন ওভারে ২৩ রান দিয়ে দুই উইকেট। শেষ ওভার করতে এলেন ১৭তম ওভারে। তিনখানা ছক্কা হজম করতে হলো। ২০ রান খরচা হয়ে গেছে, বাকি একটা বল। সেটাকেই কাজে লাগিয়ে আরও এক উইকেট তুলে নিলেন সাকিব। শেষমেশ চার ওভারে ৪৩ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট গেছে তাঁর ঝুলিতে। ২১ রানের জয়ও পেয়েছে জাফনা কিংস। যার পেছনে ব্যাটে-বলে বড়সড় অবদান রেখেছেন সাকিব।











