অন্যান্য বোলারদের ওপর পাকিস্তানি ব্যাটাররা যখন রীতিমতো চড়াও হয়ে বাউন্ডারির বৃষ্টি নামাচ্ছিলেন, তখন মাঠের চিত্র একাই বদলে দিলেন হংকংয়ের বোলার জয়লীন কৌর। নিয়ন্ত্রিত বোলিং, ফ্লাইট ও লাইন-লেংথের বুদ্ধিমত্তায় পাকিস্তানি ব্যাটারদের ফাঁদে ফেললেন তিনি। তুলে নেন ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগার। চার ওভারে মাত্র ১৯ রান খরচায় সাজঘরে ফেরালেন চারজন ব্যাটারকে।
পাকিস্তানের ইনিংসের প্রথমভাগ থেকেই হংকংয়ের বাকি বোলাররা যখন রানের রাশ টানতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে আসেন জয়লীন। ফ্লাইটেড বলে প্রলুব্ধ করে প্রথমে আয়েশা জাফরকে কভারে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান তিনি।

এরপর ফ্লাইটের ফাঁদে ফেলে দুর্দান্ত খেলতে থাকা শাওয়াল জুলফিকারকে নিজেই কট অ্যান্ড বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান। তাঁর এই ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে পড়ে পাকিস্তানের রানের চাকা পুরোপুরি আটকে যায়।
জয়লীনের ঘূর্ণি সেখানেই থামেনি। খানিক পরেই বড় শট খেলার প্রলোভনে সাদাফ শামাসকে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন। একই ওভারের শেষদিকে ইমান ফাতিমাকে দারুণ এক আর্মার ও লেংথ বলে সরাসরি এলবিডব্লিউ এর ফাঁদে ফেলে পাকিস্তানের ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

যেখানে পাকিস্তানের বিপক্ষে অন্য বোলাররা ওভারপ্রতি নয় থেকে দশ রান করে দিচ্ছিলেন, সেখানে জয়লীনের ইকোনমি রেট ছিল অবিশ্বাস্য। মাত্র ৪.৭৫! তাঁর এই ক্যারিয়ার সেরা বোলিং এর ফলেই বিশাল রানের লক্ষ্য থেকে রক্ষা পেল হংকং নারী দল।











