বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছেন সুরকসা কোটে। চার ওভারের বোলিং স্পেলটাই বাংলাদেশকে কোণঠাসা করে ফেলে। যার খেসারত দিতে হয়েছে ১০৩ রানে অলআউট হয়ে।
ইনিংসের তৃতীয় বলেই বাংলাদেশ উইকেট হারায়। রানের খাতা খোলার আগে ফিরে যান দিলারা আক্তার। আর এই ঘটনার কারিগর সুরকসা।
সেই ধাক্কা সামাল দেওয়া যেত। সোবহানা মোস্তারির ওপর বড় দায়িত্ব ছিল। বাংলাদেশের ইনিংসটা একটা লড়াকু পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। রানের মধ্যে আছেন, তিনি চাইলেই পারবেন। তবে সেখানেও বাধা হয়ে দাঁড়ালেন সুরকসা। ঘূর্ণিজাদুতে নাজেহাল করলেন আরও একবার।

ফ্লাইটেড ডেলিভারিতে লং অফে সোবহানাকে শিকার বানান। ব্যস বাংলাদেশের বড় রান তোলার সম্ভাবনা তখনই শেষ হয়ে যায়।
সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল বাংলাদেশ। নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ২৩ রান তখন করে ফেলেছেন তিনি। ঠিক সে সময় সুরকসা আরও একবার আরব আমিরাতের ত্রাতা হয়ে সামনে এলেন। সরিয়ে দিলেন জ্যোতিকে।
শেষমেশ চার ওভারের কোটা যখন শেষ করলেন নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে তিন উইকেট। তবে শুধু উইকেট শিকার নয়, রান দেওয়ার বেলায়ও ছিলেন যথেষ্ট কৃপণ। খরচের খাতায় সংখ্যাটা মাত্র ১১। দিনশেষে সুরকসার এই পারফরম্যান্সই বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ তুলতে দেয়নি।











