শারমিন আক্তার সুপ্তা যখন ক্রিজে এলেন বাংলাদেশ তখন তিন উইকেট হারিয়ে ৩৭ রান তুলেছে। বাংলাদেশের ওপর চাপ চাপিয়ে চালকের আসনে বসে আছে আরব আমিরাত। ঠিক সেই সময় সুপ্তার মাস্টারক্লাস নক, বাংলাদেশের মান বাঁচালেন তো বটেই, সেই সাথে দলকে এনে দিলেন লড়াকু পুঁজিও।
রানের খাতা খোলার আগেই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। আট রানে আরও এক উইকেট হারালে সেমিফাইনালের স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসে বাংলাদেশের সামনে। রান নেই, উইকেট হারাতে হয়েছে, তার ওপর ওভার শেষের প্রহর গুনছে। এমন চাপের মুহূর্তে আগমন ঘটে শারমিনের।

তবে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আরও বিপর্যয় দেখতে হয়েছে তাঁকে। ৫২ থেকে ৫৫ এই তিন রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল ১০০ রান স্বপ্নের মতো। এরপরই শারমিন দায়িত্ব বুঝে নেন। একপ্রান্তে রান তুলতে থাকেন ঝড়ের বেগে। শেষ চেষ্টার সবটা দেখা যায় তাঁর ব্যাটে।
বাকিদের ব্যর্থতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন শারমিন। সবাই যখন ব্যর্থ, তখন বুক চিতিয়ে লড়ে গেছেন একা। যখন সাজঘরে ফিরেছেন দলের রান তখন ৯৭। ১০০ রানের দরজায় এনে তবেই সাজঘরের পথ ধরেছেন।

৩১ বল ফেস করে নামের পাশে রান ৩৮। ১২২ স্ট্রাইক রেটের সেই ইনিংসে আছে তিনখানা চার। শারমিনের এই দায়িত্বশীল নক বাংলাদেশকে এনে দেয় ১০৩ রানের সংগ্রহ।










