ব্যাটিং ব্যর্থতায় পুঁজিটা ছিল একেবারেই সামান্য। জিততে হলে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে করতে হতো মাত্র ১০৪ রান। সেমিফাইনালে জায়গা পেতে হলে তাই বল হাতে মারুফা আক্তারকেই কিছু একটা করতে হতো, আর মাঠের লড়াইয়ে তিনি ঠিক সেটাই করে দেখালেন।
অল্প রান ডিফেন্ড করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই ধ্বংসাত্মক বোলিংয়ের এক দুর্দান্ত প্রদর্শন দেখান মারুফা আক্তার। ব্যাক্তিগত চার ওভার বোলিং করে মাত্র ২.২৫ ইকোনমিতে নয় রান দিয়ে তুলে নেন মূল্যবান দুইটি উইকেট।

ম্যাচের প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছিলেন তিনি। ইনিংসের মাত্র চতুর্থ বলেই ইন-সুইংগার ডেলিভারিতে আমিরাত অধিনায়ক ইশা ওজাকে প্লেড অন করে বোল্ড করেন তিনি।
এরপর পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই আবার আঘাত হানেন এই তরুণ পেসার। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে মারুফার আউটসুইঙ্গারে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটের পেছনে নিগার সুলতানার ক্যাচে পরিণত হন সামাইরা ধার্নিধারকা।

মারুফার তৈরি করা এই মারাত্মক চাপের সুবিধা নিয়ে বাকি বোলাররাও প্রতিপক্ষকে ঘুরে দাঁড়াতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতকে চেপে ধরে ৩৪ রানের বড় জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।











