প্যারিসের আকাশে ফরাসি ফুটবলের নতুন সূর্য জিনেদিন জিদান উঠতেই পারেন, তবে মাঠে সেই পুরনো রাজত্ব আর আক্রমণের নিউক্লিয়াস হয়ে রইলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। নেশনস লিগে তুরস্কের রক্তচক্ষু ও ডিফেন্সিভ দেয়াল চূর্ণ করে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানের কষ্টার্জিত জয় এনে দিয়েছেন এই ফরাসি অধিনায়ক।
তুরস্কের আঁটসাঁট লো-ব্লক ডিফেন্স যখন ফরাসি আক্রমণভাগকে বারবার ব্যর্থতার হতাশায় ডুবাচ্ছিল, ঠিক তখনই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন এমবাপ্পে। প্রথমার্ধে উইংয়ে ঘোরাফেরা করলেও জিনেদিন জিদানের হাফ-টাইম ট্যাকটিকাল ইনপুটের পর বিরতির পর নিজের চেনা গতি ও স্পেস খোঁজার খেলায় নামেন তিনি।

৫৪তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের বাড়ানো রক্ষণছেঁড়া পাসটি বক্সে পেতেই কোনো ভুল করেননি এমবাপ্পে।এক সেকেন্ডের ব্যবধানে ক্ষিপ্র টার্ন আর পোস্টের কোণ ঘেঁষে নেওয়া নিখুঁত ফিনিশিংয়ে পরাস্ত করেন তুর্কি গোলরক্ষককে।
ম্যাচে এমবাপ্পের পারফরম্যান্স কেবল ওই এক গোলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়ার আগ পর্যন্ত তুরস্কের রক্ষণভাগের জন্য আতঙ্কের অপর নাম ছিলেন তিনি। চারটি শট অন টার্গেটের পাশাপাশি বিপক্ষ বক্সে একাধিক ড্রিবলিং ও কি-পাস দিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের তটস্থ করে রাখেন।

জিদান জমানার প্রথম ম্যাচটিতেই অধিনায়কোচিত নেতৃত্ব আর ফিনিশিংয়ের অনন্য প্রদর্শনীতে এমবাপ্পে প্রমাণ করলেন, কোচের পরিবর্তন কিংবা কৌশলগত বৈচিত্র্য যা-ই আসুক না কেন, ফ্রান্সের জয়ের চাবিকাঠি এখনো তাঁর পায়ের জাদুতেই সবচেয়ে নিরাপদ।











