পরাজয়ের রাতেও উজ্জ্বল জুড বেলিংহাম

স্পেনের কাছে ৩-২ গোলের পরাজয়ের রাতেও ওয়েম্বলিতে উজ্জ্বল হয়ে থাকলেন এই মাদ্রিদ তারকা। ম্যাচের প্রথম বাঁশি থেকে শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত তিনি মাঠের প্রতিটি ঘাসে অদম্য মানসিকতা নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন।

জুড বেলিংহামের শেষ মিনিট অবধি লড়াইয়েও শেষ রক্ষা হলো না ইংল্যান্ডের। স্পেনের কাছে ৩-২ গোলের পরাজয়ের রাতেও ওয়েম্বলিতে উজ্জ্বল হয়ে থাকলেন এই মাদ্রিদ তারকা। ম্যাচের প্রথম বাঁশি থেকে শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত তিনি মাঠের প্রতিটি ঘাসে অদম্য মানসিকতা নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন।

সংখ্যার বিচারেও মাঝমাঠে বেলিংহামের প্রভাব ছিল এক কথায় অসাধারণ। পুরো ম্যাচে ৯৩ শতাংশ নিখুঁত পাসিং অ্যাকুরেসি ধরে রেখে ৪৩টি পাসের মধ্যে ৪০টিই সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন তিনি। এর মধ্যে প্রতিপক্ষের অর্ধে ২৯টি পাস দিয়ে স্প্যানিশ রক্ষণে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করেন। নিজের অর্ধে ১১টি পাসের ১১টি এবং চারটি লং বলের চারটিই ছিল নিখুঁত, যা তাঁর পজিশনিং সেন্স ও দূরদৃষ্টি স্পষ্ট করে তোলে।

স্পেন প্রথমার্ধের শুরুতে গোল করে এগিয়ে গেলেও বেলিংহামের প্রচেষ্টাতেই ইংল্যান্ড ম্যাচে ফিরে আসে। প্রথাগত পজিশনিংয়ের বাইরে গিয়ে পুরো আক্রমণভাগে তিনি অবাধ বিচরণ করেছেন। মাঠের ডান, বাম এবং কেন্দ্র – সবখানেই ছিল তাঁর কার্যকর ভূমিকা।

ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে কেনের গোলটির পেছনে বেলিংহামের অবদান ছিল অসাধারণ। স্প্যানিশ ডিফেন্সের ফাঁক গলে তাঁর দেওয়া নিখুঁত পাসের ফলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। আক্রমণ সামলানো থেকে শুরু করে রক্ষণে সহায়তা করা – প্রতিটি বিভাগেই বেলিংহামের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

সতীর্থদের মধ্যে ক্লান্তি ও হতাশা চলে আসলেও শেষ পর্যন্ত বেলিংহামের লড়াকু মনোভাব অটুট ছিল। পরাজয়ের রাতেও এমন দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্স প্রমাণ করে, কেন বেলিংহামই এখন আধুনিক ইংলিশ ফুটবলের সবচেয়ে বড় ভরসার প্রতীক ও আসল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link