উয়েফা নেশনস লিগে গ্রিসের বিপক্ষে ৭৬ শতাংশ বল পজেশন রেখেও ১-০ গোলে হারল জার্মানি। একদিকে ছিল জার্মানির বল নিয়ন্ত্রণে রেখে ধীরে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা, অন্যদিকে গ্রিসের কমপ্যাক্ট লো ব্লক ও দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক। ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে দিমিত্রিস কৌরবেলিসের জয়সূচক গোলটি এই ট্যাকটিকাল বাস্তবায়নেরই চূড়ান্ত রূপ।
গ্রিস মূলত ৫-৪-১ ফর্মেশনে রক্ষণ সামলেছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ফাইনাল থার্ডের সেন্ট্রাল ও হাফ স্পেস এলাকাগুলোকে পুরোপুরি ব্লক করে রাখা।
ফলে জার্মানি মাঝমাঠে প্রচুর সময় ও বল পজেশন পেলেও প্রতিপক্ষের বক্সে প্রবেশ করতে বারবার ব্যর্থ হয়েছে। জার্মানির গৃহীত ১৬টি শটের অধিকাংশই ছিল বক্সের বাইরে থেকে, যা তাদের আক্রমণাত্মক ধারহীনতা ও সুযোগ তৈরিতে অনমনীয়তাকে স্পষ্ট করে।

জার্মানির মূল দুর্বলতা ফুটে ওঠে তাদের অতিরিক্ত ধীরগতির বল পরিচালনায়। পাসিং নিখুঁত হলেও উইং দিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স চেরা কিংবা গতি পরিবর্তন করে বক্সে ফাঁকা জায়গা তৈরির সেই ক্ষিপ্রতা আজ অনুপস্থিত ছিল।
হাই লাইন ডিফেন্স রেখে আক্রমণ গড়তে গিয়ে স্বাগতিকরা সবসময়ই এক ধরণের ঝুঁকিতে ছিল, যা শেষ পর্যন্ত সত্যি প্রমাণিত হয়। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে জার্মানির সেই অরক্ষিত রক্ষণের সুযোগ নিয়েই বল জালে জড়িয়ে দেন বদলি নামা কৌরবেলিস।
গ্রিসের সুসংগঠিত লো ব্লক ডিফেন্সের বিপক্ষে ইয়ুর্গেন ক্লপের পরীক্ষামূলক হাই লাইন অ্যাটাকিং সিস্টেম ও পজেশনভিত্তিক কৌশল চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। আক্রমণভাগে প্রয়োজনীয় ধার ও দ্রুতগতির রূপান্তরের অভাব স্পষ্ট হলেও, দলের সম্ভাব্য বিকল্প এবং কৌশলগত সীমাবদ্ধতাগুলো পরখ করে নিচ্ছেন ক্লপ।












