একাই লড়লেন রহমত শাহ!

হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেনরা যখন আগুনের হল্কা ছুড়ছেন, তখন একপাশে বরফের ঝুলি নিয়ে বসে ছিলেন রহমত শাহ। আফগানিস্তানকে আগলে রাখার কাজটা যেন কেবল তাঁরই।

হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেনরা যখন আগুনের হল্কা ছুড়ছেন, তখন একপাশে বরফের ঝুলি নিয়ে বসে ছিলেন রহমত শাহ। আফগানিস্তানকে আগলে রাখার কাজটা যেন কেবল তাঁরই। ২৮৩ মিনিটের প্রতিরোধী ইনিংসটা তাই পূর্ণতা পেয়েছে সেঞ্চুরিতে। কাপ্তানের হাত ধরে আফগানরা পেয়েছে লড়াইটাকে দীর্ঘ করার রাস্তা।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তোলে ৩৪৬ রান। জবাব দিতে নেমে শুরুটা আশাব্যঞ্জক করলেও খেই হারিয়ে ফেলে আফগানিস্তান। ৬৪-তে দুই উইকেট হারালে ক্রিজে আসেন রহমত শাহ। বাংলাদেশের বোলাররা চেপে বসার নেশায় মত্ত তখন।

রহমত মাথাটা বরফের মতো ঠান্ডা রাখলেন। একটা বৃত্ত এঁকে সেখানেই শাসন করা, বাকি সব চিন্তা সেই বৃত্তের বাইরে রাখা। স্পিন থেকে পেস, সবই সুনিপুণ দক্ষতায় সামলেছেন। অধিনায়কের ব্যাট সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছে যেন।

ফিফটি আসে, একপাশে উইকেট পতনের বৃষ্টি নামে। তবে রহমত সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে বসে ছিলেন। তাঁর দায়িত্বে থাকা এক প্রান্ত অক্ষত রাখার জন্য যা কিছু দরকার, তাই করেছেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের চার নম্বর সেঞ্চুরিটার খোঁজ পেতে তাই খুব বেশি দেরি হয়নি।

হাসানের ফাইফার, এবাদতের চার, এসবের মাঝে পড়ে আফগানিস্তানের ইনিংস থেমেছে ২৪০ রানে। এর মধ্যে একাই ১০৫ করেছেন রহমত। একেবারে শেষ পর্যন্ত দাঁতে দাঁত চেপে লড়ে গেছেন। সব সঙ্গী সাজঘরে ফিরলে বাধ্য হয়েই তাঁকেও যেতে হয়েছে। তবুও নিজের উইকেটটা বোলারদের দেননি রহমত। পারফেক্ট টেস্ট ব্যাটিংয়ের চিত্রটাই সামনে এনেছেন। দেখিয়েছেন, লড়াইটা আসলে এভাবেই করতে হয়।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link