সেভিয়াকে হারিয়ে ক্লাসিকোর আগে আত্মবিশ্বাসী মাদ্রিদ

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সেভিয়াকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। হোসে মরিনহোর দলের ট্যাকটিক্যাল সুপিরিয়রিটি এবং গোলের সামনে ক্লিনিক্যাল ফিনিশিং ম্যাচজুড়েই সেভিয়ার রক্ষণভাগকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে রাখে।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সেভিয়াকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। হোসে মরিনহোর দলের ট্যাকটিক্যাল সুপিরিয়রিটি এবং গোলের সামনে ক্লিনিক্যাল ফিনিশিং ম্যাচজুড়েই সেভিয়ার রক্ষণভাগকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে রাখে।

​ম্যাচের প্রথমার্ধেই নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে স্বাগতিকরা। ৩০তম মিনিটে একটি দ্রুতগতির ফাস্ট ব্রেক থেকে ম্যাচের ডেডলক ভাঙেন আরদা গুলের। ইয়ান দিওমান্দের বাড়ানো বল বক্সের ভেতর থেকে বাম পায়ের দারুণ শটে টপ রাইট কর্নারে জড়িয়ে রিয়ালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

এরপর ৩৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে লস ব্লাঙ্কোসরা। মাঝমাঠ থেকে জুড বেলিংহামের নিখুঁত থ্রু পাস ধরে সিক্স-ইয়ার্ড বক্সের বাম দিক থেকে বাঁ পায়ের শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।

দ্বিতীয়ার্ধেও রিয়ালের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর এমবাপ্পে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা, এবং স্পট কিক থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে নিজেই।

ম্যাচের ৮০তম মিনিটে সেভিয়া কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে, যখন লুকাস স্টাসিনের অ্যাসিস্ট থেকে বক্সের ডান দিক থেকে বাঁ পায়ের শটে ব্যবধান ৩-১ করেন মানু বুয়েনো। তবে এই ব্যবধান দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়নি রিয়াল। ঠিক দুই মিনিট পর, অর্থাৎ ৮২তম মিনিটে চুয়ামেনির পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে বল টপ-লেফট কর্নারে পাঠিয়ে রিয়ালের ৪-১ গোলের জয় নিশ্চিত করেন ইয়ান দিওমান্দে।

সামনেই বহুল কাঙ্ক্ষিত এল ক্লাসিকো। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার মুখোমুখি হওয়ার ঠিক আগে সেভিয়ার বিরুদ্ধে এমন দাপুটে জয় হোসে মরিনহোর দলের জন্য সঠিক সময়ে সঠিক বার্তা। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বার্নাব্যুতে যে দাপট আর ক্ষুরধার ফুটবল লস ব্লাঙ্কোসরা দেখাল, তা শুধু তিন পয়েন্টই এনে দেয়নি। বরং বড় ম্যাচের আগে দলের মানসিকতায় জুগিয়েছে বাড়তি অক্সিজেন।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link