সোহান-সাব্বিরের ঝড়ে ১২৭ রান করেও হার বাংলাদেশের

ব্যাট হাতে যা দরকার ছিল, বাংলাদেশ তার চেয়েও বেশি দিয়েছে। বোলাররা যদি রানের গতি আরেকটু নিয়ন্ত্রনে রাখতেন তাহলে  ম্যাচের ফল হয়তো অন্যরকম হতো।

সাব্বিরের এক ওভারে তিন ছক্কা, রান তুললেন ঝড়ের গতিতে ,অপর পাশে হাবিবুর রহমান সোহানের অদম্য ফিফটি তবুও শেষ রক্ষা হলো না।হংকং সিক্সেসে শ্রীলঙ্কার কাছে বাংলাদেশ কে হারতে হলো ৫ উইকেটের ব্যাবধানে। ছয় ওভারে ১২৭ রান তুলেও বোলারদের ব্যর্থতায় ম্যাচ বাঁচানো যায়নি। লঙ্কানরা লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলেছে ৫.২ ওভারেই চার বল বাকী থাকতেই।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ঝড়ের গতিতে। হাবিবুর রহমান সোহান আর সাব্বির রহমানের জুটি চার ওভারে বিনা উইকেটে তোলে ৯৩ রান। সোহানের দ্বিতীয় ওভারটা ছিল সবচেয়ে চোখধাঁধানো, শচিথ জয়াতিলকের ওই ওভারে এসেছে ৩২ রান। তাতে ছিল চারটি ছক্কা আর দুটি চার। সাব্বিরও পিছিয়ে থাকেননি এক ওভারে তিনি মারেন তিনটি ছক্কা, শেষ পর্যন্ত ১২ বলে ৩৯ রান করে ফেরেন, ছক্কা মেরেছেন পাঁচটি। সোহান খেলেছেন ১৫ বলে ৫৭ রানের ইনিংস। শেষ দিকে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও আবু হায়দার রনির ছোট ছোট ক্যামিও দলকে নিয়ে যায় ১২৭ পর্যন্ত। ছয় ওভারের ম্যাচে এটা জেতার মতোই স্কোর ছিল।

কিন্তু শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা সেটাকে বড় লক্ষ্য মনে করেননি। বিশেন হালাম্বাগে প্রথম ওভার থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন। রনির প্রথম ওভারে তিনি তিনটি বাউন্ডারি মারেন, ওভার থেকে আসে ২৭ রান। এরপর আহরার আমিনের ওভারে আবার ৩২। ততক্ষণে ম্যাচের রং বদলে গেছে।

মৃত্যুঞ্জয় তিন উইকেট নিয়ে লড়াইটা কিছুটা জিইয়ে রেখেছিলেন, দুটি ক্যাচ ধরেছেন নিজের বলেই। তবু দুই ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ফেলায় চাপটা পুরোপুরি কাটেনি। পঞ্চম ওভারে চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান এক উইকেট পেলেও দিয়েছেন ২৬ রান, সেই ওভারেই সমীকরণ নেমে আসে হাতের নাগালে। হালাম্বাগে ১৬ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থেকে নিজেই ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেছেন।

ব্যাট হাতে যা দরকার ছিল, বাংলাদেশ তার চেয়েও বেশি দিয়েছে। বোলাররা যদি রানের গতি আরেকটু নিয়ন্ত্রনে রাখতেন তাহলে  ম্যাচের ফল হয়তো অন্যরকম হতো।

Share via
Copy link