ভুলে যাওয়ার মতোই তৃতীয় দিন কাটাল বাংলাদেশ!

'ব্যাসিক' শব্দটাই বাংলাদেশের ব্যাটারদের অভিধানে নেই। কাণ্ডজ্ঞান যে কতটা অভাব রয়েছে তাওহীদ হৃদয়দের ব্যাটিং দেখলেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। মিরপুর টেস্টে ব্যাটারদের ব্যর্থতা বাংলাদেশকে তাই একটু একটু করে জয় থেকে দূরে সরিয়ে দিল। তৃতীয় দিনটা এককথায় ভুলে যাওয়ার মতোই ছিল।

‘ব্যাসিক’ শব্দটাই বাংলাদেশের ব্যাটারদের অভিধানে নেই। কাণ্ডজ্ঞান যে কতটা অভাব রয়েছে তাওহীদ হৃদয়দের ব্যাটিং দেখলেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। মিরপুর টেস্টে ব্যাটারদের ব্যর্থতা বাংলাদেশকে তাই একটু একটু করে জয় থেকে দূরে সরিয়ে দিল। তৃতীয় দিনটা এককথায় ভুলে যাওয়ার মতোই ছিল। অতি অলৌকিক কিছু না হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যে সহজেই ছিনিয়ে নেবে জয়, আপাতত ভবিতব্য এটাই।

যত দ্রুত সম্ভব ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ইতি ঘটাতে হবে। তৃতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশের লক্ষ্য এটাই ছিল। তবে লাঞ্চের আগে সাফল্য আসে মোটে দুটো। তেজনারায়ণ চন্দরপলকে সরিয়ে দেন শরিফুল ইসলাম, নাঈম হাসান ফেরান জাস্টিন গ্রিভসকে। তবে দ্বিতীয় সেশনটা একাই নিজের করে নেন নাঈম। ক্যাচ মিসের মহড়ার মাঝে একাই দায়িত্ব নিয়ে গুঁড়িয়ে দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং অর্ডার।

২৩৪ রানে ছয় উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪৫-এই অলআউট। নাঈমের ঝুলিতে যায় চার উইকেট। অস্বস্তির মেঘ সরিয়ে ২৭ রানের লিড নিয়েই ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। তবে পরের গল্পটা ভুলে যাওয়ার মতোই।

ব্যাটাররা ব্যস্ত হলেন কে কত ভুল করতে পারেন, সেটা দেখাতে। এমনিতেই ফিল্ডিংয়ে চোট পেয়ে মুমিনুল হককে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। শঙ্কা ছিল তাঁকে পাওয়া নিয়ে। সেটাই সত্যি হলো। জাকের আলী নামলেন কনকাশন সাব হিসেবে। তবে সেই পর্যন্ত যাওয়ার আগেই সব শেষ।

শূন্যতেই ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। সেঞ্চুরিয়ান সাদমান ইসলামও খেই হারিয়ে ফেলেন। তবে সবচেয়ে বড় ভুলটা বোধহয় তাওহীদ হৃদয়েরই। এককথায় দৃষ্টিকটু আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে যেটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।

২৮ থেকে ৩৫, সাত রানের মধ্যে দলের সেরা তিন ব্যাটার ফিরে গেছেন সাজঘরে। এরপর আর কী-ইবা বাকি থাকে ম্যাচের? মেহেদী হাসান মিরাজ আশাজাগানিয়া হয়ে আসলেও হতাশা বাড়িয়ে ফিরেছেন কেবল। ৫৩ রানেই ছয় উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা তখন বাংলাদেশ।

সেখান থেকে লিডটাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস দেখান জাকের-নাঈম মিলে। ২৬ রানের জুটিও গড়ে ওঠে। তবে আলোকস্বল্পতায় সেখানেই দিনের ইতি টানতে হয়। স্কোরটা তাই ৭৯ রানে ছয় উইকেট। দিনশেষে লিড দাঁড়ায় ১০৬ রান।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link