সিমিওনেদের দ্বিতীয় প্রজন্ম, অ্যাটলেটিকোর ঘরে আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ

৩৭ মিনিটের সময় ডান দিকে লফটেড পাস বাড়ান আর্জেন্টাইন নাহুয়েল মলিনা। স্বদেশী সিমিওনে সেই বল পেয়ে দ্রুত গতিতে ঢুকে পড়েন ছয় গজ ব্যাসার্ধের বক্সে। এরপর দুরূহ কোণ থেকেই শট নেন গোলমুখে এবং গোল - দুই আর্জেন্টাইনের যুগলবন্দীতে লাস পালমাসের বিপক্ষে গোল পায় স্বাগতিকরা।

বাবা দিয়েগো সিমিওনে, কোচ হিসেবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হাল ধরে আছেন এক যুগের বেশি সময়। এবার সেই অ্যাতলেটিকোর কাণ্ডারি হওয়ার পথে পা রাখলেন ছেলে জিউলিয়ানো সিমিওনে। লাল-সাদা জার্সি গায়ে প্রথম গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি – শুরু হলো সিমিওনে জুনিয়রের অধ্যায়।

৩৭ মিনিটের সময় ডান দিকে লফটেড পাস বাড়ান আর্জেন্টাইন নাহুয়েল মলিনা। স্বদেশী সিমিওনে সেই বল পেয়ে দ্রুত গতিতে ঢুকে পড়েন ছয় গজ ব্যাসার্ধের বক্সে। এরপর দুরূহ কোণ থেকেই শট নেন গোলমুখে এবং গোল – দুই আর্জেন্টাইনের যুগলবন্দীতে লাস পালমাসের বিপক্ষে গোল পায় স্বাগতিকরা।

অবদান রাখতে ভোলেননি বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আরেক তারকা রদ্রিগো ডি পলও। থ্রু পাসে তিনি খুঁজে নিয়েছিলেন ডি বক্সে থাকা অ্যালেক্সান্ডার সরলথকে। ঠান্ডা মাথায় সেই বল জালে পাঠিয়ে ছিলেন এই স্ট্রাইকার – ম্যাচের বাকি অংশে তেমন কিছু হয়নি আর, ২-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। তাতেই টেবিলের তিন নম্বরে উঠে এসেছে তাঁরা।

অবশ্য জয়-পরাজয় ছাপিয়ে আলোচনায় এখন দলটির কোচের পুত্র জিউলিয়ানো সিমিওনে। ২০০২ সালে জন্ম নেয়া সিমিওনে বাবাকে দেখেই হয়তো স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন ফুটবলকে ঘিরে। পেশাদার পর্যায়ে তিনি সূচনা করেছিলেন রিভার প্লেট যুব দলের হয়ে, ২০২০ সালে তাঁকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন দিয়েগো।

এরপর যুব দলের হয়ে খেলেছেন জুনিয়র সিমিওনে, মাঝে রিয়াল জারাগোজা এবং আলাভেস শিবিরে ধারে খেলতে গিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে চলতি মৌসুমে সুযোগ আসে অ্যাতলেটিকোর হয়ে মাঠে নামার, অ্যাতলেটিকো বিলবাওয়ের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নামানো হয় তাঁকে।

লেগানেসের বিপক্ষে অ্যাসিস্ট করে প্রথমবার স্কোরবোর্ডে নাম তুলেছিলেন এই উইঙ্গার। এবার তো অভিষেক গোল পেয়ে গেলেন – পিছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ আর নেই। অন্তত বাবার হাসিমুখের কথা ভেবে তিনি নিশ্চয়ই চাইবেন রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে নিজের একটা সোনালী ইতিহাস তৈরি করতে। যার জন্মদাতা ফুটবলের মাস্টার, যার ভাই নাপোলির তারকা, তাঁর জন্য কাজটা মোটেই কঠিন হওয়ার কথা নয়।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link