জ্যোতির ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশের জয়!

টানা দুই পরাজয়, ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ নারী দল হন্যে হয়ে খুঁজছিল একটা জয়। অবশেষে তা ধরা দিল কাপ্তান নিগার সুলতানা জ্যোতির ব্যাটে চড়ে। স্কটল্যান্ডকে হারাল ৩৪ রানের ব্যবধানে।

টানা দুই পরাজয়, ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ নারী দল হন্যে হয়ে খুঁজছিল একটা জয়। অবশেষে তা ধরা দিল কাপ্তান নিগার সুলতানা জ্যোতির ব্যাটে চড়ে। স্কটল্যান্ডকে হারাল ৩৪ রানের ব্যবধানে।

এদিন আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ছিল একেবারেই বিবর্ণ। ২৩ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেললে আরও এক পরাজয় তখন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। সেখানেই ত্রাতা হয়ে এলেন জ্যোতি।

সোবহানা মোস্তারিকে সঙ্গে নিয়ে ডুবন্ত জাহাজ পুনরুদ্ধারের কাজে লেগে পড়েন তিনি। ৭৭ রান আসে এই জুটি থেকে। মোস্তারি ৩৯ রানে থামলেও অবিচল ছিল জ্যোতির ব্যাট। তুলে নেন টানা দ্বিতীয় ফিফটি।

শেষমেষ ৪৭ বলে ৫৮ রানের ইনিংস আসে জ্যোতির ব্যাট থেকে। তাতেই স্কোরবোর্ডে ১৫২ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশের মেয়েরা।

প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেই পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। প্রতিশোধের আগুনটা তাই জ্বলছিল ভেতরে। যার জেরে ১ রানের মধ্যেই স্কটিশদের দুই ওপেনারকে তুলে নেয় বাংলাদেশ। ওখানেই জয়ের ভিত গড়ে ওঠে। মারুফা আক্তার, সানজিদা মেঘলাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সুবাদে কোনঠাসা হতে বাধ্য হয় স্কটল্যান্ড। থামতে হয় ১১৮ রানেই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link