ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ

জবাবে, ১১ তম ওভারের চতুর্থ আর ষষ্ঠ বলে দুই ছক্কায় ম্যাচের সমাপ্তি টেনেছেন টিম ডেভিড। বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। তবে, তাতে ম্যাচের ফলাফল একবিন্দুও পরিবর্তন হয়নি।

ম্যাচটা কার্যত প্রথম ইনিংস শেষেই অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে চলে গিয়েছিল। স্রেফ নিয়মরক্ষার তাগিদে বল হাতে নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ দল। তিন উইকেট হারালেও নয় ওভার হাতে রেখেই সাত উইকেটের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া দল।

মিশেল মার্শ শুরুতেই ঝড় তুলেন। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ২৮ বল খেলে করেন ৬০ রান। তাঁর চারটি চার ও সাতটি বাউন্ডারিতে সাজানো ইনিংসের পর আর খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি অস্ট্রেলিয়া দলকে। বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দিয়েই সিরিজ শেষ করল অস্ট্রেলিয়া।

এর আগে টস জয়ের সুবাদে আগে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি হয় বাংলাদেশের। টপ অর্ডার কিংবা মিডল অর্ডার – সবাই এক যোগে এক সাথে ব্যর্থ হয়েছেন। বোর্ডে বাংলাদেশ জমা করতে পারে মাত্র ১০৯ রান।

এর মধ্যে এক প্রান্ত আগলে রেখে ৫১ বল খেলে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তিনি বাদে আর মাত্র একজন ব্যাটারই দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পেরেছেন। সেটাও আবার লোয়ার অর্ডার ব্যাটার রিশাদ হোসেন। তিনি ১৪ বল খেলে করেন ১৬ রান। কেন বাংলাদেশের স্কোর বড় হয়নি, সেটা এখান থেকেই স্পষ্ট।

জবাবে, ১১ তম ওভারের চতুর্থ আর ষষ্ঠ বলে দুই ছক্কায় ম্যাচের সমাপ্তি টেনেছেন টিম ডেভিড। বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। তবে, তাতে ম্যাচের ফলাফল একবিন্দুও পরিবর্তন হয়নি।

Share via
Copy link