বিসিবি সভায় দুই পরিচালকের মাঝে হট্টগোল!

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক পরিচালনা পর্ষদের সভায় হট্টগোল ও দুই পরিচালকের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। সভার নির্ধারিত সময় পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক পরিচালনা পর্ষদের সভায় হট্টগোল ও দুই পরিচালকের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা। সভার নির্ধারিত সময় পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি। স্বাভাবিকভাবেই যা বিসিবির অভ্যন্তরীণ পেশাদারিত্ব ও সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

সভাটি প্রথমে বিকেল তিনটায় আয়োজনের কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা পিছিয়ে সন্ধ্যা ছয়টায় নির্ধারণ করা হয়। সভার এই হঠাৎ সময় পরিবর্তনের বিষয়ে সরাসরি তীব্র আপত্তি ব্যক্ত করেন বিসিবির মেডিকেল কমিটির চেয়ারম্যান ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম।

তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক হওয়ায়, নিজের পূর্বনির্ধারিত রোগী দেখার সূচির সঙ্গে সভার নতুন সময় সাংঘর্ষিক হচ্ছে উল্লেখ করে বিষয়টি বৈঠকে একাধিকবার উত্থাপন করেন।

​বারবার একই বিষয়টি তোলা নিয়ে একপর্যায়ে বরিশাল বিভাগের পরিচালক মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। মিজানুর রহমান কড়া ভাষায় এর প্রতিক্রিয়া জানালে বৈঠক কক্ষের পরিবেশ বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অবশ্য বৈঠকের পরিবেশ সাময়িকভাবে ঘোলাটে হলেও পরবর্তী সময়ে উভয় পরিচালকই বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ঘটনাটিকে গুরুত্বহীন আখ্যা দিয়ে ডা. শামীম জানান, বোর্ডে সবার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রয়েছে। অন্যদিকে মিজানুর রহমানও এটিকে সহকর্মীদের মধ্যকার একটি সাময়িক মনোমালিন্য বলে চিহ্নিত করেছেন।

পরিচালকরা এটিকে সাধারণ ঘটনা বলে এড়াতে চাইলেও, দেশের শীর্ষ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতি-নির্ধারণী সভায় এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়া বোর্ড পরিচালনার সার্বিক শৃঙ্খলাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বোর্ড মিটিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মঞ্চে ব্যক্তিগত শিডিউল ও সময়ের সমন্বয়হীনতা নিয়ে এমন কাদা ছোড়াছুড়ি বিসিবির পেশাদারি ভাবমূর্তির সঙ্গে  অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link