সাইফউদ্দিনের ইনজুরিতে কপাল খুলল আলিসের!

১৯ সেপ্টেম্বর ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ছিটকে যাওয়ায় এশিয়ান গেমসে খেলার কপাল খুলে গেছে আলিস আল ইসলামের।

আরও একবার জাতীয় দলে ডাক পেলেন আলিস আল ইসলাম। ইনজুরির সাথে লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে ওঠেনি এখনও। এর আগে সুযোগ এসেছিল, তবে শেষ মূহুর্তে ইনজুরি অভিষেক হতে দেয়নি। এশিয়ান গেমসে ফিরলেন আলিস, এবার কি অভিষেকটা হবে, নাকি শেষ সময়ে গিয়ে মাঠেই নামা হবে না আর?

ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে তিন সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেছেন  মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। আর এতেই এশিয়ান গেমসে খেলার কপাল খুলে যায় আলিসের। তবে এই সুযোগ তিনি উপহার হিসেবে পাননি, অর্জনের মধ্য দিয়েই কাড়তে হয়েছে নজর। ঘরোয়া ক্রিকেটে আলিস এক পরিচিত ও সফল নাম। ক্যারম বল ডেলিভারির কারিকুরি আর মিস্ট্রি স্পিনে ব্যাটারদের তুমুলভাবে বিভ্রান্ত করায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার!

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল), বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) মতো ঘরোয়া টি-টোয়েন্টির সবখানেই নিয়মিত আলো ছড়াচ্ছেন এই তারকা। ফরম্যাটটিতে ঘরোয়া আসরে এখন পর্যন্ত ৫৯ উইকেট শিকার করেছেন এই স্পিনার।

এ ছাড়া, চলতি সেপ্টেম্বরেই বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে প্রোটিয়া ‘এ’ দলের বিপক্ষে ওয়ানডেতে এক ইনিংস বল করে ৩৫ রানে তিন উইকেট শিকার করেন তিনি। এশিয়ান গেমসে ডাক পাওয়ার আগে মিরপুর শের-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে প্রস্তুতি ম্যাচেও মিডল অর্ডার ব্যাটারদের বিপক্ষে নিজের বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। পেয়েছেন একটি উইকেটও। তাই প্রতিপক্ষের রানের চাকা শ্লথ করার পাশাপাশি পাওয়ারপ্লে ও ডেথ ওভারে দলকে মোমেন্টাম এনে দিতেও তুরুপের তাস বনে যেতে পারেন তিনি।

আলিসের মতো একজন বৈচিত্র্যময় মিস্ট্রি স্পিনারের অন্তর্ভুক্তিতে দলের বোলিং আক্রমণে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। বিশেষ করে এশিয়ান গেমসের  উইকেটে আলিস পেতে পারেন বাড়তি সুবিধা।

সে যাই হোক, সমর্থকদের এখন একটাই প্রশ্ন, তবে কি এবার সত্যিই আলিসের গায়ে উঠতে চলেছে লাল-সবুজের জার্সি? সুযোগ পেলে ডোমেস্টিক ক্রিকেট, ‘এ’ দলের দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্স আর প্রস্তুতি ম্যাচের সাফল্যের ধারবাহিকতাকে আলিস এশিয়ান গেমসের মঞ্চে টেনে নিয়ে যেতে পারবেন কি-না, সেটাই দেখার পালা!

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link