প্রস্তুতি ম্যাচে নিজের সেরাটাই দিলেন মুস্তাফিজ!

দীর্ঘদিন ক্রিকেট মাঠের বাইরে থাকা মানেই একজন বোলারের জন্য ছন্দ ফিরে পাওয়ার একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই সংশয়কে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

দীর্ঘদিন ক্রিকেট মাঠের বাইরে থাকা মানেই একজন বোলারের জন্য ছন্দ ফিরে পাওয়ার একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই সংশয়কে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। এশিয়ান গেমসে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজিত প্রস্তুতি ম্যাচে ‘টিম এ’ এর হয়ে বল হাতে নিজের সেরা রূপটাই ফুটিয়ে তুললেন দ্য কাটার মাস্টার। তিন ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচায় তুলেছেন তিন উইকেট।

ম্যাচে মুস্তাফিজের বোলিং তোপ সইতে পারেননি বিপক্ষ দলের টপ ও মিডল অর্ডার। তাঁর শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন নাইম শেখ, সৌম্য সরকার এবং মোসাদ্দেক হোসেন। ব্যাক্তিগত স্পেলের ১৮টি বলের মধ্যে ১১টি বলেই প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের ডট খেলাতে বাধ্য করেন এই বাঁহাতি পেসার। যা তাঁর নিখুঁত লাইন লেংথ ও নিয়ন্ত্রণকেই প্রমাণ করে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয় দলে নি:সন্দেহে সবচেয়ে বড় স্বস্তির নাম মুস্তাফিজুর রহমান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর তাঁর ম্যাচ ফিটনেস এবং ফর্ম নিয়ে ক্রিকেটপাড়ায় কিছুটা সংশয় বা দুশ্চিন্তা থাকাটাই ছিল স্বাভাবিক। কারণ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের মানসিক চাপ ও বোলিংয়ের ধার বজায় রাখা অনুশীলনে আর ম্যাচের বাস্তবতায় সবসময় এক হয় না।

তবে সব শঙ্কা এক ফুঁয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। এশিয়ান গেমসের মূল পর্বে নামার আগে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়ার যে আদর্শ সুযোগ পেয়েছিলেন, তার শতভাগ সদ্ব্যবহার করেছেন।

স্বাভাবিকভাবেই আসন্ন এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের বোলিং অ্যাটাকের মূল চালিকাশক্তি মুস্তাফিজই। তাঁর ওপর ভরসা করেই বড় কিছুর স্বপ্ন বুনছে দল।

আর প্রস্তুতি ম্যাচে তাঁর এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স স্পষ্ট করে দিয়েছে – মাঠের বাইরে থাকলেও কাটার মাস্টারের জাদুতে কোনো ভাটা পড়েনি। পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েই এশিয়ান গেমসে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন ফিজ।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link