শেষ ভালো সাইফের, সব ভালো হবে তো?

বোলারের মাথার উপর দিয়ে একের পর এক উড়ে যাচ্ছে সীমানার বাইরে। যিনি পাঠাচ্ছেন তিনি সাইফ হাসান। কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। এশিয়ান গেমসটাও কি সাইফের জন্য ভালো হতে যাচ্ছে? শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে খেলা ৭৭ রানের ইনিংসটা যে সেই বার্তাই দিচ্ছে। একটা স্বস্তির বাতাস লেগেছে বাংলাদেশের গায়ে।

বোলারের মাথার উপর দিয়ে একের পর এক উড়ে যাচ্ছে সীমানার বাইরে। যিনি পাঠাচ্ছেন তিনি সাইফ হাসান। কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। এশিয়ান গেমসটাও কি সাইফের জন্য ভালো হতে যাচ্ছে? শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে খেলা ৭৭ রানের ইনিংসটা যে সেই বার্তাই দিচ্ছে। একটা স্বস্তির বাতাস লেগেছে বাংলাদেশের গায়ে।

দীর্ঘদিন ধরেই সাইফের ব্যাটে রান নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বারবার খেই হারিয়ে ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করেছেন অনেক আগেই। সুযোগ কম পাননি তিনি। তবে সেটাকে কাজে লাগাতেও বারবার হোঁচট খেয়েছেন। ঝড়ের বেগে রান করার তকমা গায়ে থাকলেও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সাইফের স্ট্রাইক রেট মাত্র ১১৭। যা কোনোভাবেই সন্তোষজনক নয়। তবে অবশেষে সাইফ বোধহয় খরা কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন।

এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ নিজেদের মধ্যে খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথমটাতে অবশ্য ব্যর্থই ছিলেন সাইফ। ১০ বলে ১৩ রান করেই ইনিংসের ইতি টানেন। সূচনা ভালো করেও বড় রান আনতে পারেননি। দুশ্চিন্তা বেড়েছে, আর কী করলে রানে ফিরবেন তিনি?

তবে এক দিনের ব্যবধানেই সাইফ ফিরলেন স্বরূপে। টিম বি-এর বিপক্ষে ৫২ বলে ৭৭ রান এসেছে সাইফের কাছ থেকে। দুই চারের সাথে ছয়খানা ছক্কা হাঁকিয়ে পাওয়ার হিটিংয়ের নিদর্শনই দেখিয়েছেন তিনি।

এশিয়ান গেমসটা বাংলাদেশের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সোনা জেতাই বাংলাদেশের লক্ষ্য। সেভাবে দলও গড়া হয়েছে। প্রতিপক্ষরাও কম যায় না। ভারত, পাকিস্তান সবারই লক্ষ্য যেহেতু এক, লড়াইটাও হবে তুমুল। যেখানে বাংলাদেশকে নিজেদের সর্বোচ্চ দিতে হবে। সবটুকু উজাড় করে দিতে হবে প্রতিটি খেলোয়াড়কে। সাইফকে তাই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে। নিজেকে আরও একবার প্রমাণ করতে হবে। শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে পাওয়া আত্মবিশ্বাসটাই তাই হতে পারে সাইফের চালিকাশক্তি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link