চেয়ার ছাড়বেন না বুলবুল!

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনেক পরিচালক এর মধ্যে নিজেদের পদ ত্যাগ করেছেন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন রাজনৈতিক অবস্থায় অনেকেই ভেবেছিলেন বিসিবি সভাপতিও সম্ভবত সেই দলভুক্ত হবেন। কিন্তু, আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়ে দিয়েছেন তিনি নিজের দায়িত্ব ছাড়বেন না।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) পরিচালকদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের পদ ত্যাগ করেছেন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন রাজনৈতিক অবস্থায় অনেকেই ভেবেছিলেন বিসিবি সভাপতিও সম্ভবত সেই দলভুক্ত হবেন। কিন্তু, আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়ে দিয়েছেন তিনি নিজের দায়িত্ব ছাড়বেন না।

২০২৫ সালের মে মাসে ফারুক আহমেদের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হন । শুরুতে মনে হয়েছিল এ দায়িত্ব যেন স্বল্প সময়ের। কিন্তু, বাস্তবে এমন হয়নি কিছুই। অক্টোবরের নির্বাচনে জিতে এখন তিনি পূর্ণ দায়িত্বে।

যে নির্বাচনের ভেতর দিয়ে আমিনুল স্থায়ী সভাপতি হলেন, সেই নির্বাচন নিয়েই আছে নানা বিতর্ক। তামিম ইকবাল খান একে অস্বচ্ছ দাবি করে সরে গিয়েছিলেন নির্বাচন থেকে। কিন্তু, আমিনু্লের কথায় দায়িত্ব ছাড়ার কিছুই খুঁজে পাওয়া যায় না।

যমুনা টেলিভিশনকে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে বিসিবি সভাপতি জানান, পদ ছাড়ার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই। তিনি বলেন, ‘চলে যাওয়ার জন্য আমি হবো শেষ ব্যক্তি।’ আমিনুলের কথায় আসে বিসিবিতে তাঁর সৎ, নিবেদিত দলের কথা। যাদের নিয়ে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেবা করতে চান।

নিজের যোগ্যতায়, নিজের অভিজ্ঞতায় বিসিবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে বসেছেন বলে দাবি টেস্টে বাংলাদেশে প্রথম শতক হাঁকানো আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। নানা গুজব শোনা গেলেও সেগুলোকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

এই বছরের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না যাওয়া, নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এমন বহু বিতর্ক থাকলেও এখনো কাজ চালিয়ে যাবেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। নিজের সিদ্ধান্তে তিনি একেবারে বদ্ধপরিকর।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link