বোলিংয়ে ভারতের টেস্ট দলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র যদি একজনকে বলা হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে নামটি হবে জাসপ্রিত বুমরাহ। কিন্তু সেই অস্ত্রকেই এবার মাঠের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। হাঁটুর চোট পুরোপুরি না সারায় তাই শ্রীলঙ্কার বিমান ধরা হলো না। ছিটকে যেতে হলো দুই টেস্টের সিরিজ থেকে।
গত মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হাঁটুতে আঘাত পান বুমরাহ। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, চোট তেমন গুরুতর নয় এবং বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্সে পুনর্বাসন শেষে সময়মতো শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠবেন। এমনকি কয়েকদিন আগেও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, তিনি বাধ্যতামূলক ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে গেছেন এবং দুই টেস্টেই খেলতে পারবেন।

কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। পুনরায় মেডিকেল মূল্যায়নের পর দেখা যায়, বুমরাহর হাঁটুতে এখনো অস্বস্তি রয়ে গেছে। ফোলাভাবও পুরোপুরি কমেনি। তাই বিসিসিআইয়ের স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই অবস্থায় তাঁকে টেস্ট ক্রিকেটে ফেরানো হবে না। কারণ সামনে ভারতের জন্য রয়েছে দীর্ঘ ও ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি। একটি সিরিজের জন্য তাঁকে ঝুঁকিতে ফেলতে চায় না বোর্ড।
আরও একটি বিষয় ভারতের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে। শ্রীলঙ্কার উইকেট সাধারণত ধীরগতির হয়। সেখানে ফাস্ট বোলারদের দীর্ঘ স্পেল করতে হয়, কিন্তু তার তুলনায় সাফল্য আসে কম। অর্থাৎ শরীরের ওপর চাপ বেশি পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া একজন পেসারকে খেলানো ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই সতর্কতার পথই বেছে নিয়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।

ভারতের দুশ্চিন্তা এখানেই শেষ নয়। ইতোমধ্যে হ্যামস্ট্রিং চোটে ছিটকে গেছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি ও হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দরও প্রথম টেস্ট খেলতে পারবেন না। অর্থাৎ শ্রীলঙ্কা সফরের আগেই একের পর এক চোটে জর্জরিত ভারতীয় শিবির।










