হতাশা বাংলাদেশের সঙ্গী!

হতাশা, স্রেফ হতাশায় সঙ্গী হলো বাংলাদেশের। চতুর্থ দিনে কোথাও নিজের পায়ের তলার মাটি খুঁজে পেল না নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সিলেট টেস্টে কিছুই আর হাতে নেই, খুব বেশি ভালো করলে সেটা কেবলই ড্র হতে পারে।

হতাশা, স্রেফ হতাশায় সঙ্গী হলো বাংলাদেশের। চতুর্থ দিনে কোথাও নিজের পায়ের তলার মাটি খুঁজে পেল না নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সিলেট টেস্টে কিছুই আর হাতে নেই, খুব বেশি ভালো করলে সেটা কেবলই ড্র হতে পারে।

তৃতীয় দিন শেষে ২৩ রানে পিছিয়ে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সাত রান করে দিনশেষ করেছিল, তবে কোনো উইকেট হারাতে দেয়নি তারা। বাংলাদেশের সামনে কেবল একটাই উপায় ছিল। প্রথম সেশনে যতগুলো সম্ভব উইকেট তুলে নেওয়া। তবে বাংলাদেশ কিছুই করতে পারল না।

লাঞ্চের আগে দুটি উইকেট তুলে নেওয়াটাই দিনের সবচেয়ে বড় সফলতা। ৮৫ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম, ৬১ রান করা ব্রান্ডন কিংকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যস, বাকিটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপট।

লাঞ্চে যাওয়ার আগে তারা তোলে ১২৮ রান। ফিরে এসে জুটিটাকে বড় করে নেন কাভেম হজ এবং কেভিন উইকহ্যাম। ওই জুটি থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পায় ১৬৫ রান। ৭৮ করে অভিষিক্ত উইকহ্যাম ফিরে যান। টানা দুই ইনিংসে দুই ফিফটির রেকর্ড নামের পাশে করে যান। তাঁকে ফেরানোর নায়ক তাইজুল।

তবে এরপর আবারও জুটি গড়ে ওঠে। এবার আমির জাঙ্গুর সঙ্গে হজের জুটি। ততক্ষণে শতক হাঁকিয়ে ফেলেছেন হজ। বাংলাদেশের কাছ থেকে ম্যাচটাকে একটু একটু করে দূরে নিয়ে গেছেন। এই জুটি আর ভাঙা যায়নি দিনশেষে।

৬১ রান আসে সেখান থেকে। চতুর্থ দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ৩৩৮ রান, বিনিময়ে হারিয়েছে মাত্র তিন উইকেট। লিডটা এখন ৩১৫ রানের। এখান থেকে ম্যাচ জেতা বাংলাদেশের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। স্রেফ ড্রটাই হতে পারে সবচেয়ে বড় সফলতা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link