ইকুয়েডরকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় ‘এল ত্রি’

শুরুর ৩১ মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা লিখে ফেলেছিল মেক্সিকো। ঘরের মাঠে ইকুয়েডরকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা, ২০১৮ সালের পর প্রথমবার এই ধাপ পার হলো এল ত্রি।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মেক্সিকো। ২২ মিনিটে রবের্তো আলভারাদোর পাস থেকে গোল করেন হুলিয়ান কিনিওনেস। এরপর নিজেই গোল বানিয়ে দেন সতীর্থের জন্য, ৩১ মিনিটে কিনিওনেসের পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাউল হিমেনেস। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে খেই হারিয়ে ফেলে ইকুয়েডর, যদিও বল দখলে (৫৬%) আর কর্নার কিকে (৮-৩) এগিয়ে ছিল তারাই।

পরিসংখ্যান বলছে, মেক্সিকোর ফিনিশিং ছিল অনেক বেশি ধারালো। ১৪টি শটের মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে রেখেই দুই গোল আদায় করে নেয় তারা, অন্যদিকে ইকুয়েডরের ৮ শটের মাত্র ১টি ছিল লক্ষ্যে। গোলরক্ষক এরনান গালিন্দেসের কয়েকটি সেভ না থাকলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।

যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে এসে আরও তেতো হয় ইকুয়েডরের রাত। ভিএআরের সিদ্ধান্তে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডিফেন্ডার পিয়েরো ইনকাপিয়ে। এই হারে বিশ্বকাপ শেষ ইকুয়েডরের, আর শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর অপেক্ষায় নতুন প্রতিপক্ষ।

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link