আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং ইনিংসে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কী? সহজ কথায় পারভেজ হোসেন ইমনের ৭০ রান। যে দুর্দশা চলছিল, সেখান থেকে দলকে নিজের কাঁধে টেনে তোলার চেষ্টা করেছেন। দেশ থেকে উড়ে গিয়ে যে নকটা খেললেন, সেটা অনবদ্য বইকি। তবুও কি দলে একটু জায়গা পাবেন ইমন?
২৮ রানে চার উইকেট নেই। বাংলাদেশের সামনে জয় তো দূরে থাক, লজ্জায় ডুবে যাওয়ার উপক্রম। একে তো চাপ, এরপর নিজেকে প্রমাণ করার প্রেশার। শুধু তাই নয়, ছয় নম্বরের ভিন্ন রোলে মানিয়ে নেওয়া তো চাট্টিখানি কথা নয়।

তবে ইমন মাঠে নামার পর সব চাপ শুষে নিলেন। সাইফ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে দলের ভাঙা জাহাজ মেরামত করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই জুটিও গড়লেন ৯৩ রানের। ভগ্নস্তূপ থেকে বাংলাদেশ তখন উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে সাইফ ফিরে গেলে আশা পরিণত হয় দুরাশায়। তবুও ইমন নিজের পাশে অবিচল ছিলেন।
সঙ্গীহীন এক লড়াই চালাতে হয়েছে। চার নম্বর ওয়ানডে ম্যাচে দ্বিতীয় নম্বর ফিফটিও পেয়েছেন তিনি। শেষমেশ যখন সাজঘরে ফিরলেন, তখন নামের পাশে ৭০ রানের ইনিংস। যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন, ততক্ষণ বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে ১২৮ রান।

তবে এই ইমন পরের ম্যাচে সুযোগ পাবেন তো? অনেকেই বলতে পারেন, এক ম্যাচের এই পারফরম্যান্স দিয়ে কী হবে? তবে এর আগের তিন ম্যাচে ইমন মন্দ করেননি। এক ফিফটি-সহ ১০৮ রান করেছিলেন ৩৬ গড়ে। তবে কম্বিনেশনের মারপ্যাঁচে তাঁকে সরে যেতে হয়েছে। লিটন দাসের ইনজুরিতে যে সুযোগটা এলো, সেটা কাজে লাগিয়েছেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে। জানিয়ে গেলেন, এই দলটায় থাকার সক্ষমতা তাঁর আছে।










