চেকদের ডেরায় ইংল্যান্ডের রাজকীয় জয়

পুরো ৯০ মিনিটজুড়ে বলের দখল নিয়ন্ত্রণ করা থেকে শুরু করে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে ফেলা - সব বিভাগেই থ্রি লায়নরা তাদের কৌশলগত পরিপক্কতার প্রমাণ দিয়েছে।

মাঝমাঠের আধিপত্য আর নিখুঁত ট্যাকটিকাল প্রয়োগের ওপর ভর করে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিল ইংল্যান্ড। পুরো ৯০ মিনিটজুড়ে বলের দখল নিয়ন্ত্রণ করা থেকে শুরু করে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে ফেলা – সব বিভাগেই থ্রি লায়নরা তাদের কৌশলগত পরিপক্কতার প্রমাণ দিয়েছে।

​ইংল্যান্ড ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে মাঠে নেমেছিল, যা বল পজেশনের সময় দ্রুত ৩-২-৪-১ ছকে পরিণত হয়। উইংয়ে বুকায়ো সাকা ও অ্যান্থনি গর্ডন এবং মাঝমাঠে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের উপস্থিতি চেক ডিফেন্সকে পুরো ম্যাচে চাপে রাখে। অন্যদিকে, চেক প্রজাতন্ত্র ৪-৪-২ ব্লকে ডিফেন্স সামলে অ্যাডাম হ্লোজেক ও পাভেল সুলককে সামনে রেখে কাউন্টার অ্যাটাক বা সেট-পিস থেকে সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করে।

ইংল্যান্ডের এলিয়ট অ্যান্ডারসন ও মরগান রজার্স মাঝমাঠের টেম্পো পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। তারা চেক প্রজাতন্ত্রের লুকাস সার্ভ ও মাইকেল সাদিলেককে ব্যস্ত রেখে হাফ স্পেসের নিখুঁত ব্যবহার নিশ্চিত করেন।

​ম্যাচের ২৫ মিনিটে চেক ফরোয়ার্ড পাভেল সুলক লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে স্বাগতিকরা দশ জনের দলে পরিণত হয়। এই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইংল্যান্ড আরও উচ্চমাত্রার হাই প্রেস চালু করে।

​প্রথমার্ধে দশ জনের দল হয়ে পড়ার পরও চেক গোলরক্ষক মাতেজ কোভার বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ করে সমতা বজায় রাখেন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আর্নল্ডের নিখুঁত ক্রস থেকে চমৎকার টাচে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন।

এরপর ৬৯ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর দারুণ পজিশনিং থেকে ব্যবধান ২-০ করেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন। পরবর্তীতে জুড বেলিংহাম ও বেরেশি এজে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে আক্রমণের গতি ধরে রাখেন। ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে মার্ক গুয়েহি ও ট্রেভো চলোবাহ পুরো ম্যাচে চেক আক্রমণভাগকে স্তব্ধ করে রেখে জেমস ট্রাফোর্ডকে ক্লিনশিট এনে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link