দ্রাবিড়ের উইকেট নিলেন টেন্ডুলকার!

দিনশেষে কেএসসিএ একাদশের স্কোর দাঁড়ায় আট উইকেটে ২৪৫। গোয়ার সেরা বোলার ছিলেন অর্জুন—১৭ ওভারে ৫০ রানে তিন উইকেট তাঁর ঝুলিতে। তার আগে, গোয়ার প্রথম ইনিংসে ওঠে ৩৩৮ রান। বল হাতে সেখানে উজ্জ্বল ছিলেন সামিতও—৯ ওভারে ২ উইকেট নেন ১৮ রানের বিনিময়ে।

মাঠের লড়াইয়ে বন্ধু ছিলেন টেন্ডুলকার ও দ্রাবিড়। যদিও, এবার দেখা গেল ভিন্ন দৃশ্য। এবার তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বী। একই মঞ্চে মুখোমুখি হলেন ভারতীয় ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তি—শচীন টেন্ডুলকার ও রাহুল দ্রাবিড়ের উত্তরাধিকার। ব্যাঙ্গালুরুর ড. কে. থিম্মাপ্পাইয়া মেমোরিয়াল টুর্নামেন্টে।

নিজ শহর মুম্বাই ছেড়ে গোয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে খেলতে নেমেছেন অর্জুন টেন্ডুলকার। নতুন মৌসুমে বড় স্বপ্ন নিয়ে এগোতে চান তিনি, আর শুরুটাও হলো দারুণ। কেএসসিএ সেক্রেটারিস একাদশের বিপক্ষে প্রথমেই তুলে নিলেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক নিকিন জোসেকে—শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে দিলেন মাত্র আট বল খেলে। আর পরে, এল সেই মুহূর্ত—দ্রাবিড় পুত্রের বিপক্ষে সরাসরি দ্বৈরথ।

ক্রিজে তখন সামিত দ্রাবিড়। চোটে ভুগে দীর্ঘ সময় বাইরে কাটানোর পর ফিরেছেন, সম্প্রতি জায়গা পেয়েছেন কর্নাটকের রঞ্জি দলে সম্ভাব্যদের তালিকায়। আঠার বছর বয়সী এই তরুণ নেমেছিলেন ব্যর্থ ব্যাটিং অর্ডার সামলাতে। যখন দল ৯১ রান করতে তিন উইকেট হারায়, তিনি নামলেন পাঁচে। ২৩ বল মোকাবিলা করার পর,তিনি পড়লেন অর্জুনের সামনে যার কেবলই বয়স ২৬ হয়েছে।

প্রথম দুই বলে একটি বাউন্ডারি খেলেই যেন ঝলক দেখালেন দ্রাবিড় জুনিয়র। কিন্তু বেশিক্ষণ টিকলেন না। ২৬ বল খেলে ৯ রানে থামিয়ে দিলেন তাঁকে টেন্ডুলকার জুনিয়র। স্কোরকার্ডে উঠে এলো অনন্য এক দৃশ্য—অর্জুন টেন্ডুলকার আউট করলেন সামিত দ্রাবিড়কে—সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই স্কোরকার্ড ছড়িয়ে পড়ল ঝড়ের মতো।

দিনশেষে কেএসসিএ একাদশের স্কোর দাঁড়ায় আট উইকেটে ২৪৫। গোয়ার সেরা বোলার ছিলেন অর্জুন—১৭ ওভারে ৫০ রানে তিন উইকেট তাঁর ঝুলিতে। তার আগে, গোয়ার প্রথম ইনিংসে ওঠে ৩৩৮ রান। বল হাতে সেখানে উজ্জ্বল ছিলেন সামিতও—৯ ওভারে ২ উইকেট নেন ১৮ রানের বিনিময়ে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link