আফগানিস্তানের ত্রাতা হাসমতউল্লাহ শহিদী

বিপদ যখন ঘিরে ধরে, পরিস্থিতি যখন শুষে নেয় সমস্ত শক্তি, তখনই একটা শেষ চেষ্টা করতে হয়, প্রাণপণ লড়ে যেতে হয়। সেটাই মূলত করলেন হাসমতউল্লাহ শাহিদী! অবিশ্বাস্য এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বনে গেলেন দলের সত্যিকারের কাণ্ডারি।

বিপদ যখন ঘিরে ধরে, পরিস্থিতি যখন শুষে নেয় সমস্ত শক্তি, তখনই একটা শেষ চেষ্টা করতে হয়, প্রাণপণ লড়ে যেতে হয়। সেটাই মূলত করলেন হাসমতউল্লাহ শহিদী! অবিশ্বাস্য এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বনে গেলেন দলের সত্যিকারের কাণ্ডারি।

তিনি যখন উইকেটে এলেন দলের অবস্থা তখন দুই উইকেট হারিয়ে ২৬ রান। চেয়ে চেয়ে দেখলেন আরও দুই উইকেটের পতন। ৩৬ রানে চার উইকেট হারানো আফগানিস্তান যে পরবর্তী সময়ে ২০০ রানের গণ্ডি পার করতে পারে সেটা বোধহয় কেউ ভাবেনি, শুধু শহিদী ছাড়া।

আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে নিয়ে এক অজানার পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন। সেটা পরিণত হয়েছে ১০৫ রানের জুটিতে। তবে ওমরজাই ফিরে যান ৫০ রানেই, আর তখন থেকেই যে আশার সঞ্চার ঘটেছিল আফগান শিবিরে সেটা নিভু নিভু হয়ে আসে।

তবুও হাল ছাড়লেন না কাপ্তান শাহিদী। ক্র্যাম্প বাধা হয়ে দাঁড়াল, ভারতের বোলাররা চোখ রাঙানি দিয়েছে, একের পর এক সতীর্থ রণক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়েছে। তবে তিনি অবিচল রইলেন একই ভাবে। যেন লড়াইটা ভারত বনাম শহিদী, যেন লড়াইটা ব্যক্তিগত।

ফিফটি এলো, থামলেন না, দলের যে বিপদ কাটেনি, লড়াইয়ের পুঁজি আসেনি। ক্যারিয়ারের প্রথম শতকটা নিজের ঝুলিতে পুরলেন। তাও এমন সময়ে যখন দলের ভরসা তিনি একাই। শেষটাতে ব্যাট থেকে এসেছে ১০২ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস। যে দলটার ১০০ করা নিয়ে সংশয় জেগেছিল তারাই করল ২১৮ রান। শহিদী দেখিয়ে গেলেন, দায়িত্ব এভাবেই পালন করতে হয়।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link