ডানহাতি ব্যাটারদের বিপিএলের হিসেব-নিকেশ

খেলা ৭১ এবার হাজির হয়েছে, বিপিএলে ডানহাতি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান সংগ্রাহকদের তালিকা নিয়ে। 

আর মাত্র দিন দশেকের অপেক্ষা। এরপরই মাঠে গড়াবে দেশের একমাত্র ফ্রাঞ্চাইজি ভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। দ্বাদশ আসর শুরু হওয়ার আগে, পরিসংখ্যানের পাতায় ঢুঁ মেরে আসতে নিশ্চয়ই সবারই মন চায়। তাইতো খেলা ৭১ এবার হাজির হয়েছে, ডানহাতি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান সংগ্রাহকদের তালিকা নিয়ে।

  • মোহাম্মদ মিঠুন

মোহাম্মদ মিঠুন কখনোই টি-টোয়েন্টি ব্যাটার হিসেবে বিবেচিত হননি। এর পেছনের কারণ তার স্ট্রাইকরেট। বিপিএলে মিঠুন স্রেফ ১১৭.৫৯ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করেছেন। এই স্ট্রাইকরেট মোটেও যুতসই নয় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট বিবেচনায়। তবে ডানহাতি ব্যাটারদের রান সংগ্রহের দিক থেকে তিনি আছেন পাঁচ নম্বরে। ১১২ ইনিংসে ব্যাট করে ১১ অর্ধশতকের সমন্বয়ে ২৩৫৩ রান এসেছে মিঠুনের ব্যাট থেকে।

  • লিটন কুমার দাস 

ক্ল্যাসিকাল ব্যাটার লিটন দাস, ডানহাতি ব্যাটারদের মধ্যে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান এখন অবধি সংগ্রহ করেছেন বিপিএলে। শীর্ষে থাকা ব্যাটারের সাথে তার মোট সংগ্রহকৃত রানের ব্যবধান ১০০৩ রান। ১০২ ইনিংসে ব্যাট হাতে মাধুর্য ছড়িয়েছেন লিটন। একটি সেঞ্চুরি ও ১৪টি হাফসেঞ্চুরি তিনি আদায় করেছেন বিপিএলের মঞ্চে। তার সর্বমোট সংগ্রহ ২৪৪৩ রান। ব্যাট করেছেন ১২৯.৮০ স্ট্রাইকরেটে।

  • মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ 

দ্বাদশ বিপিএলে যতটুকু সুযোগই পাবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ততটুকুই তিনি কাজে লাগাতে চাইবেন। দলকে জেতানোর পাশাপাশি নিজের পরিসংখ্যানটাও হৃষ্টপুষ্ট করে যেতে চাইবেন নিঃসন্দেহে। বিপিএলে ডানহাতি ব্যাটার হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান রয়েছে রিয়াদের নামের পাশে। ২৭২৬ রান রয়েছে রিয়াদের ঝুলিতে। কোন শতকের দেখা না পেলেও, ১৪টি অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন। ১২৪.১ স্ট্রাইকরেটের চলনসই ভঙ্গিমায় ব্যাটিং করেছেন রিয়াদ।

  • এনামুল হক বিজয়

এবারের আসরে দেখা যাবে না এনামুল হক বিজয়কে। ফিক্সিং বিতর্কের গ্যাড়াকলে, এবছর তার খেলা হচ্ছে না বিপিএল। তবে পূর্বের আসরগুলোতে তিনি ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার দেখিয়ে গেছেন ১২৫ ইনিংসে। ২৭৭৬ রান করে, ডানহাতি ব্যাটার হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক বিজয়। একটি শতক ও ১৪টি অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন তিনি। তবে সমালোচনার খোরাক জোগায় তার ১১৯.৬৫ স্ট্রাইকরেট।

  • মুশফিকুর রহিম 

মুশফিকুর রহিমের বিপিএল পরিসংখ্যান কখনোই যথাযথ আলোচনার স্পটলাইট পায়নি। কিন্তু তিনি বিপিএলের অন্যতম সফল ব্যাটারদের একজন। এমনকি তার স্ট্রাইকরেটও যথেষ্ট ভাল।  ১৩১.৫২ স্ট্রাইকরেটে রান সংগ্রহ করেছেন মুশফিক। ১২৯টি ইনিংসে ব্যাট হাতে বাইশ গজে হাজির হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ২১টি ফিফটির কল্যাণে ৩৪৪৬ রান জড়ো করেছেন। ডানহাতি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। বৃহৎ চিত্রে বিপিএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে তারই ব্যাট থেকে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link