ভারতের ‘ঐতিহাসিক’ টস জয়

সম্ভবত টসটাও বেশ কয়েবার প্র্যাকটিস করে তবেই নেমেছেন লোকেশ রাহুল। একটা টস জয় এতটাই জরুরী ছিল ভারতের জন্য।

বিশাখাপটনমে বেলা তখন একটা। যেন নিয়মরক্ষর এক টস করতে নামলেন লোকেশ রাহুল। এই ম্যাচ হারলেই, ফসকে যাবে সিরিজ। ভারত কি এবারও হারবে টস?

ভারতের অধিনায়ক কেএল রাহুলের হাতে কয়েন, দক্ষিণ আফ্রিকার টেম্বা বাভুমা ডাকলেন ‘হেডস’। কিন্তু উঠল টেল—আর সঙ্গে সঙ্গেই যেন ইতিহাস থমকে গেল। হ্যাঁ, আজকাল টস জয় ভারতের জন্য ঐতিহাসিক ব্যাপারই বটে।

টানা ২০ বার টস হারা ভারতের অবশেষে টস–জয়! বিশাখাপত্তনমে প্রথমে বোলিং নেবে ভারত। রাহুলের মুখে চওড়া হাসি, পাশাপাশি দেখার মত এক মুষ্টিবদ্ধ উদযাপন। রীতিমত ফিস্ট-বাম্প করলেন সেই উদযাপনে যোগ দিলেন দক্ষিণ ভারতের উত্তাল গ্যালারিও।

মুখে হাসি ধরে রেখেই লোকেশ রাহুল বললেন, ‘গতরাতে এখানে অনুশীলন করেছি। কোচদের কাছ থেকে ফিডব্যাক ছিল, রায়পুর বা রাঁচির মতো প্রথম বল থেকেই বল গ্রিপ করবে না।’

সম্ভবত টসটাও বেশ কয়েবার প্র্যাকটিস করে তবেই নেমেছেন লোকেশ রাহুল। একটা টস জয় এতটাই জরুরী ছিল ভারতের জন্য।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link