হায়দ্রাবাদের মাঠে কলকাতার দাপুটে জয়!

সুনীল নারাইনের ২০০ আইপিএল উইকেট শিকারের দিনে হায়দ্রাবাদ থামে ১৬৫ রানে।

ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং সবকিছুতে দাপট দেখাবে, ম্যাচজুড়ে প্রতিপক্ষকে রাখবে চাপের মধ্যে আর সবশেষে তুলে নেবে বড় জয়; কলকাতা নাইট রাইডার্সের এমন রূপই দেখতে চায় দর্শকেরা। কিন্তু, এবারের আসরের কলকাতা যেন বড্ড অচেনা। অবশেষে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে স্বরূপে প্রত্যাবর্তন ঘটলো কলকাতার।

এদিন আগে ব্যাট করতে নামা হায়দ্রাবাদ ধাক্কা খায় শুরুতেই। তুরুপের তাস অভিষেক শর্মাকে হারাতে হয়। তবে, অন্যপাশে ট্রাভিস হেডের তান্ডবে পরিস্থিতি সামালে নেয় হায়দ্রাবাদ। হেড ফিরলে কিশাণ অন্যপাশে বড় সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। কিন্তু, তাঁকে সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ ছিল না। পুরো আসর জুড়ে ধারাবাহিক থাকা হেনরিখ ক্লাসেনও নিজের আধিপত্য দেখাতে ব্যর্থ হন। সুনীল নারাইনের ২০০ আইপিএল উইকেট শিকারের দিনে হায়দ্রাবাদ থামে ১৬৫ রানে।

তাড়া করতে নেমে কলকাতার রাজসিক শুরু পায় দুই ওপেনারের কল্যাণে। ওপেনিং জুটি থেকেই আসে ৪৯ রান। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি কলকাতার। অঙকৃষ রঘুবংশী নিয়ন্তণ নিয়ে নেন পুরোপুরি। তাতেই সাত উইকেটের দাপুটে জয় পায় কলকাতা।

ঘরের মাঠে এদিন জিততে পারলে হায়দ্রাবাদের প্লে-অফে যাওয়ার রাস্তাটা আরও পরিষ্কার হয়ে যেত। কিন্তু, সব হারানো কলকাতা তা হতে দিলো না। বড় ব্যবধানের দাপুটে এই জয়ে নিজেদের কোয়ালিফায়ারে খেলার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও টিকিয়ে রাখলো কলকাতা নাইট রাইডার্স।

 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link