কুশল ‘কৌশলী’ পেরেরা

কুশল পেরেরা, রান সংগ্রহে বেশ সখ্যতা যার। প্রমাণ-সরূপ ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে পেয়েছেন অর্ধ-শতকের দেখা। সদ্য সমাপ্ত লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) রানের ধারাই ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বজায় রাখলেন তিনি।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই পরাজয়ের ফলে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে চারিথ আসালাঙ্কার দল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে মাঠে নামে তাঁরা। প্রথমে ব্যাট করতে নামায় দলকে সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব পড়ে ব্যাটারদের উপর।

অবশ্য স্কোর বোর্ডে ২৬ রান তুলতেই সাজ ঘরে ফিরে যান উইকেটরক্ষক-ব্যাটার কুশল মেন্ডিস। তবে ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কাকে সাথে নিয়ে সেই চাপে বেশ ভালভাবে কাটিয়ে ওঠেন কুশল পেরেরা। তাঁর সাথে গড়ে তোলে ৫৪ রানের জুটি।

পাথুম সাজঘরে ফিরে গেলে রানের চাকার গতি বৃদ্ধির দায়িত্ব বেড়ে যায় কুশল পেরেরার উপর। কামিন্দু মেন্ডিসের সাথে আরো একটি অর্ধ-শতকের জুটি গড়েন তিনি। শ্রীলঙ্কার ইনিংসের মাঝের ওভারগুলোতে কুশল পেরেরাই রানের চাকা সচল রাখার দায়িত্ব পালন করেছেন।

যদিও তিনি তাঁর ইনিংস দীর্ঘ করতে ব্যর্থ হন। হার্দিক পান্ডিয়ার শিকার হয়ে ৫৩ রানেই ইতি ঘটে তাঁর ইনিংসের। বাঁ-হাতি এই শ্রীলঙ্কান ব্যাটার তাঁর ইনিংসটি খেলেন  প্রায় ১৫৬ স্ট্রাইক রেটে। যেখানে ৩৪ বল খরচে ৬টি চার এবং ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি।

সদ্য সমাপ্ত এলপিএলে ডাম্বুলা সিক্সার্সের হয়ে বেশ ভালোই মৌসুম কাটান লঙ্কান এই ব্যাটার। সর্বশেষ আসরে দুইটি অর্ধ-শতকের সাথে পেয়েছেন একটি শতকের দেখা। তাই তো ভারতের বিপক্ষে এই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও ঠিকই রানের চাকা সচল রেখেছেন তিনি। তাছাড়া দলের প্রয়োজনে সব সময়ই কথা বলে কুশল পেরেরার ব্যাট। সেই প্রমাণটা আবারো রেখেছেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link