মাহমুদউল্লাহ ছিলেন বিসিবির প্রথম পছন্দ

শরাফুলের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক ব্যাটিং জ্ঞানে আয়ারল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশি ব্যাটাররা উপকৃত হবে। আয়ারল্যান্ড সিরিজটা আশরাফুলের জন্য তাই জাতীয় দলের ভর্তি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় পাশ করলেই চাকরিটা চূড়ান্ত হবে তাঁর।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়ারল্যান্ড সিরিজকে সামনে রেখে ব্যাটিং কোচ নিয়োগ দিয়েছে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে। তবে জানা গেছে, মূলত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকেই এই দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বোর্ডের। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আপাতত দায়িত্ব নিতে পারেননি।

বিসিবির এক সূত্র জানিয়েছে, মাহমুদউল্লাহ যদি অসুস্থ না হতেন, তাকেই জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে প্রথম অগ্রাধিকার দেওয়া হতো। সিনিয়র ক্রিকেটারদের যেভাবেই হোক দলের আশেপাশে রাখতে চান বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল

তাই তো এক সিরিজের জন্যই আশরাফুলকে চুক্তিবদ্ধ করেছে বিসিবি। দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের পদটি শূন্য ছিল। নিক পোথাস ও ডেভিড হেম্প দায়িত্ব ছাড়ার পর সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন অস্থায়ীভাবে ব্যাটিং পরামর্শকের ভূমিকা পালন করছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটারদের দুর্বল পারফরম্যান্সের পর বোর্ড স্থায়ী সমাধানের খোঁজে নেমে পড়ে।

প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে যুক্ত হচ্ছেন আশরাফুল। যদিও ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচ হিসেবে তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। রংপুর রাইডার্সের ব্যাটিং কোচ হিসেবে গ্লোবাল সুপার লিগ জেতেন তিনি, আর সর্বশেষ এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে বরিশাল বিভাগের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

অন্যদিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কোচিং অভিজ্ঞতা খুব বেশি নেই বললেই চলে। এখনও কার্যত খেলোয়াড়ি জীবনকে পুরোপুরি বিদায় জানাননি তিনি। গেল বছরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন, আর চলতি বছরের ঘরোয়া মৌসুমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন—এমন সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

বিসিবি আশা করছে, আশরাফুলের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক ব্যাটিং জ্ঞানে আয়ারল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশি ব্যাটাররা উপকৃত হবে। আয়ারল্যান্ড সিরিজটা আশরাফুলের জন্য তাই জাতীয় দলের ভর্তি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় পাশ করলেই চাকরিটা চূড়ান্ত হবে তাঁর।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link